যুক্তরাজ্যে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশটিতে রেকর্ড আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। সাউথ আফ্রিকা জানিয়েছে, টিকাদান ও স্বাভাবিকভাবে গড়ে ওঠা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায়-করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট অনেকটাই রোধ করা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছেন: এবারের শীতকালে টিকা না নেওয়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার আরও বাড়বে।
করোনার আরও একটি বড় ঢেউয়ের মুখোমুখি যুক্তরাজ্য। দেশটির ৬৪ শতাংশ এলাকায় গত এক সপ্তাহে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে লন্ডনের ল্যামবেথ, হ্যাকনি ও সিটি অব লন্ডন এলাকায়। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। যা নতুন রেকর্ড। এ সময়ে মারা গেছেন আরও ১শ’ ১১ জন। নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে করোনার সাম্প্রতিকতম ঝুঁকিপূর্ণ ধরন-ওমিক্রন। ব্রিটেনে শুক্রবার নতুন করে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২শ’ ১ জন, আর এ পর্যন্ত ওমিক্রনে মোট আক্রান্ত প্রায় ১৫ হাজার।
মার্কিন প্রতিষ্ঠান নোভাভ্যাক্স ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে বানানো করোনার টিকা কোভাভ্যাক্স-টিএমকে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার পূর্বাভাস দিয়েছে, অন্তত ২০২৪ পর্যন্ত করোনা মহামারি বিশ্বে রয়ে যাবে। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে মাথায় রেখে ভ্যাকসিনের হালনাগাদ করা নতুন একটি সংস্করণের পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে ফাইজার।
সাউথ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে: ভ্যাকসিন নেয়া থাকায় এবং আরও আগেই অনেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় অনেকের শরীরেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে, ওমিক্রনের সংক্রমণ অনেকটাই সামাল দেওয়া যাচ্ছে। এ কারণে ওমিক্রন আক্রান্তদের শরীরে গুরুতর লক্ষণগুলো দেখা দিচ্ছে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আশঙ্কা আসন্ন শীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু দু’টোই বাড়বে। মার্কিন সিডিসিও সতর্ক করেছে, জানুয়ারি থেকে ওমিক্রনের নেতিবচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে হাসপাতালগুলো।









