চট্টগ্রাম থেকে: সাড়ে তিন দিনে শেষ হওয়া মিরপুর টেস্টে দুই দিনে পড়েছিল ২১ উইকেট। চট্টগ্রাম টেস্টের দুই দিনে উইকেট পড়ল মাত্র ১২টি। দ্বিতীয় টেস্টের ভাগ্যে কী তাহলে ড্রয়ের মত ফল লেখা হতে যাচ্ছে? বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার নাসির হোসেন অবশ্য এখনই ম্যাচের ফল নিয়ে ভাবছেন না। তবে বুঝতে পারছেন পঞ্চম দিনে গড়াবে খেলা।
‘আমরা এখনও ৮০ রানে এগিয়ে আছি। ক্রিকেট এমন একটা খেলা, এখানে কিছুই বলতে পারবেন না। আমরা একটু ব্যাকফুটেই আছি। টেস্টে এক-দেড় ঘণ্টায় অনেক কিছু বদলে যায়। বোলাররাও খারাপ করে নাই। যদি দেখেন, ওয়ার্নার এতো ধীরে ব্যাটিং করে না। আজ করেছে। মানে আমরা বোলিংটা ভালো করেছি। শুধু উইকেটটাই পড়েনি। যেকোনো মুহূর্তে খেলা বদলে যেতে পারে। আজ বা কালই রেজাল্ট হবে না; খেলা পাঁচদিনে যাবে। আমরা অবশ্য রেজাল্ট নিয়ে ভাবছি না। আমাদের হাতে যা করার আছে, তা নিয়েই চিন্তা করছি।’
বাংলাদেশের করা ৩০৫ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া দুই উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২২৫ রান। অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ৮৮ ও হ্যান্ডসকম্ব ৬৯ রানে অপরাজিত থেকে দিনটা নিজেদের করে নিয়েছেন।
সেপথে মিরপুরের উইকেটের সঙ্গে বন্দরনগরীর উইকেটের পার্থক্যটাই বড় করে দেখছেন নাসির, ‘মিরপুরে খুব হেল্প ছিল। এখানে তেমন বাউন্স পাচ্ছে না বোলাররা। স্টাম্পের বল তেমন টার্নও করছে না। বাইরে যে জায়গায় রাফ হয়ে গেছে, সেখানে টার্ন হচ্ছে। স্টাম্পের বল টার্ন করলে লাভ হত।’
মঙ্গলবার ৬ উইকেটে ২৫৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ২৩.২ ওভার খেলে যোগ হয় ৫২ রান। ১৯ রান নিয়ে শুরু করা নাসির ফেরেন ৪৫ করে। মুশফিকের বিদায়ের পর মিরাজকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। জুটিতে ২৮ রান যোগ হওয়ার পর লাঞ্চের কিছু আগে অ্যাগারের বলে কাট করতে গিয়ে ধরা পড়েন উইকেটরক্ষকের হাতে।
নাসিরের লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করার। সেটি না করতে পারায় আক্ষেপ তার কণ্ঠে, ‘চাইছিলাম শেষ পর্যন্ত খেলতে। সবচেয়ে বড় কথা, মিরাজের সঙ্গে দারুণ জুটি হচ্ছিল। যতোটা বেশি পারি রান করতে চেয়েছিলাম। দলের খুব কাজে লাগতো। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেটা হয়নি।’
ছবি: সাকিব উল ইসলাম








