বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হয়নি আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ। সূচি পাল্টিয়ে বৃহস্পতিবার মাঠে গড়ানো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াইটা হয়েছে একপেশে। যেখানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের উড়িয়ে দিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে ফিরেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মোহামেডানকে ৩-০ গোলে হারায় আকাশি-নীলরা।
আগের ম্যাচে শেখ রাসেলের কাছে হেরে হতাশায় মাঠ ছাড়তে হয়েছিল আবাহনীকে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা নিয়ে হাজির হয়েছিল তারা। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রথমার্ধেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো আকাশি-নীলরা। হাইতির ফরোয়ার্ড কেরভেন্স বেলফোর্টের ক্রসে ফরোয়ার্ড রুবেল মিয়া বক্সের ভেতরে বল পেয়েও পা ছোঁয়াতে পারেননি। পরের দুটি আক্রমণ থেকে মোহামেডান নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের দুর্ভাগ্য, কোনো গোল পাওয়া হয়নি।
দশম মিনিটে মিডফিল্ডার হাবিুবর রহমান সোহাগের কর্নারে ফরোয়ার্ড তকলিছ আহমেদের হেড গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল ঝাঁপিয়ে রুখে দেন। আর ২২ মিনিটে গাম্বিয়ান মিডফিল্ডার ল্যান্ডিং ডারবোর হেড বারের ওপর দিয়ে গেলে সাদা-কালো জার্সিধারীদের হতাশ হতে হয়।
৩৭ মিনিটে এসে এগিয়ে যায় আবাহনী। আগের ম্যাচের হারের হতাশা কাটাতে লিড এনে দেন সানডে চিজোবা। ফরোয়ার্ড নাবীব নেওয়াজ জীবনের শট সাইড বারের নিচে লেগে ফিরে আসে, ফিরতি বলে পা লাগিয়ে সহজেই লক্ষভেদ করেন সানডে।
১ গোলে এগিয়ে আক্রমণের ধারা সচল রাখে আবাহনী। এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া আবাহনীর দ্বিতীয় গোলটি এসেছে ৫৭ মিনিটে। সাউথ কোরিয়ার মিডফিল্ডার মিনহিয়োক কো বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। ৬৪ মিনিটে মোহামেডান ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান কমাতে পারেনি।
মিনিট তিনেক পর আবাহনীর জয় নিশ্চিত করেন বেলফোর্ট। রুবেল মিয়ার ক্রসে হাইতির এই ফরোয়ার্ডের হেড জালে জড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মারিও লেমসের দল।
এই জয়ে আকাশি-নীল জার্সিধারিরা ৯ ম্যাচে সপ্তম জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে উঠে এসেছে শীর্ষে। বসুন্ধরা কিংস দুই ম্যাচ কম খেলে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। আর মোহামেডান ৮ ম্যাচে আগের ৫ পয়েন্টে নিয়ে দশম স্থানে।








