‘লিওনেল মেসির সঙ্গে খেলেছি, এটা আমার বাচ্চাদের ও বন্ধুদেরকে বলতে পারাটা বিশাল বড় এক ব্যাপার। প্যারিসে তাকে দেখাটা আমাদের কাছে ভীষণ উপভোগ্য। ফুটবল ইতিহাসে এটি এক রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।’ -বলেছেন এমবাপে।
মেসির সঙ্গে মাঠে জমে গেছে এমবাপের রসায়ন! একে অন্যকে ছাড় দিয়ে যুগলবন্দি গড়ার আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন। একদিন মেসি পেনাল্টি নেয়ার জন্য ডেকে নিচ্ছেন এমবাপেকে, আরেকদিন হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়েও পেনাল্টি শট নিতে এমবাপে বল তুলে দিচ্ছেন মেসির হাতে। জমে ওঠা সেই রসায়নের কথা আরেকবার ফুটল ফরাসি তারকার এক সাক্ষাৎকারে।
বার্সেলোনা থেকে অশ্রুসিক্ত নয়নে মেসির বিদায়ের বছর এটা। নতুন ঠিকানা হয়েছে পিএসজি। মেসি আসায় এমবাপে নিজেকে ঠিকভাবে মেলে ধরতে পারবেন না- এমন আলোচনা রটেছিল। সময় যত গড়িয়েছে, সেসব কথা ধোপে টেকেনি। মেসি-এমবাপে যুগলবন্দি গড়েছেন।
মঙ্গলবার ক্লাব সতীর্থ মেসিকে টপকে গ্লোব সকারের বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার হাতে তুলেছেন বিশ্বকাপজয়ী এমবাপে। এ মাসে ক্লাব ব্রুগের বিপক্ষে পিএসজির ৪-১ গোলে জয়ের রাতে জোড়া গোল করে মেসির একটি রেকর্ড ভেঙে দেন ফ্রেঞ্চম্যান। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসির রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে ৩০ গোলের মাইলফলকে পা রেখেছেন।
মেসির সঙ্গে এমবাপের বোঝাপড়াটা কেমন হবে, রসায়ন আদৌ জমবে কিনা- এমন প্রশ্নে জল ঢেলেছে ব্রুগের সঙ্গে ফরাসি জায়ান্টদের সেই ম্যাচেই। বক্সের মধ্যে মেসি ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পেয়েছিল পিএসজি। স্পটকিকে জাল খুঁজে নিয়ে কিংবদন্তি পেলের করা ৭৫৭ গোল টপকে যান মেসি। অথচ স্পটকিকটি এমবাপে নিলেই করে ফেলতে পারতেন হ্যাটট্রিক।









