মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে মৃত্যু পরোয়ানার কপি পড়ে শোনানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে মৃত্যু পরোয়ানার কপি পড়ে শোনান কারা কর্তৃপক্ষ।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ সকাল ৭টার দিকে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যু পরোয়ানার কপি পড়ে শোনানো হয়। লাল কাপড়ে মোড়া ওই পরোয়ানা ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ঘুরে সোমবার রাতেই কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়।
রায় পড়ে শোনানোর সময় মীর কাসেম আলী স্বাভাবিক ছিলেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে মীর কাশেম রিভিউ আবেদন করবেন বলে তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন। রিভিউ করার আগে আইনজীবীরা কারাগারে মীর কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করবেন।
নিয়ম অনুসারে, মৃত্যু পরোয়ানা পাওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া বা প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে। তবে রায় জানার বা অনুলিপি পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করার সুযোগ পাবেন মীর কাসেম।
যদি এতেও তার মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তাহলে শেষ সুযোগ হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। তা না করলে বা ওই আবেদন নাকচ হলে ফাঁসি কার্যকর করতে পারবে সরকার।









