ঘাসে ঢাকা বাউন্সি পিচ। ছোবল দেয়া পেস আক্রমণ। বাংলাদেশের ব্যাটিং হুড়মুড় করে ভেঙে পড়া! একসময় এমনই ছিল অবস্থা। সেই জুজু কেটে যেতে শুরু করেছে। বাউন্সি পিচেও সাম্প্রতিক সময়ে ভাল করার নজির আছে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের। তবে খেলাটা যখন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে, তখন খানিকটা অতীত ফিরে আসাও অস্বাভাবিক নয়। মুমিনুল হক সেটা মাথায় রেখেই ভরসা দিচ্ছেন। বলছেন, শর্ট বলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে দুর্ভাবনার কিছু নেই।
সাউথ আফ্রিকা মিশনের প্রথম দিনে বেশ খানিকটা সফল বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। স্বাগতিকদের আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতিতে তিনশ পেরোনো স্কোর গড়ে ইনিংস ঘোষণা করা গেছে। সৌম্য রান পেয়েছেন। মুশফিক-সাব্বিরের আগেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল নিজেও। এরপরই সতীর্থদের সামর্থ্য নিয়ে অগাধ আস্থার কথা ঝরল তার কণ্ঠে। প্রোটিয়া পেসারদের শর্ট বল সামলাতে আত্মবিশ্বাস আর প্রত্যয়ের কমতি থাকল না তাতে।
বেনোনির উইলোমুর পার্কে ঝলমলে অর্ধশতকের পর বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল শর্ট বল জুজু নিয়ে বললেন, ‘যদি মনে করেন শর্ট বলে চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে, তাহলে চ্যালেঞ্জ। আর মনে না করলে চ্যালেঞ্জ হবে না। এটা কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করছে, কেমন হবে। আমার কাছে মনে হয়, দলের সবাই শর্ট বল সামলাতে পারে। কেউ একটু ভালো খেলে, কেউ দেখেশুনে ছাড়তে পারে।’
সতীর্থদের জন্য আত্মবিশ্বাস ছড়ানো কথা বলার পাশাপাশি নিজের প্রত্যয়ে বলীয়ান থাকার কথাও মনে করিয়ে দিলেন মুমিনুল। তবে ফিফটির ইনিংসটাকে আরেকটু বড় করতে না পারার আক্ষেপ সঙ্গী হচ্ছে তার, ‘দ্বিতীয় নতুন বলটা খেলার ইচ্ছে ছিল। সেটা করতে পারলে ভাল হত। ইনিংস বড় হত। তবে আমার মনে হয়, এই কন্ডিশনে ব্যাটসম্যানরা সবাই ভাল ব্যাটিং করেছে। সবাই মানিয়ে নিতে পেরেছেন।’







