রোববার দিবাগত মধ্যরাতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হঠাৎ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অবমাননা করা হয়েছে দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে তারা। বিক্ষোভ চলাকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভকারীতের উপরে ছাত্রলীগ হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে আসা এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভের শুরু হয় রোববার রাত ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে। এরপরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করতে থাকে।
আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এতো ক্ষোভ কেনো? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিপুতিরাও পাবে না, তাহলে কী রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছেও। রাজাকারের নাতিপুতিরা সব কিছু পাবে, মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা পাবে না। মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় এনে দিয়েছিলো বলেই না সবাই উচ্চ পদে আসীন।
আদালত থেকেই কোটার সমাধান আসতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা আন্দোলন করছে করুক, ধ্বসাত্বক কিছু করলে আইন তার গতিতে চলবে। চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, কোটা আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে দেয়া বক্তব্যে উষ্মা প্রকাশ করেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে জানিয়ে এতে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়া নিয়ে ভাবনা নেই বলেন প্রধানমন্ত্রী।







