দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বন মধুপুর গড়। মধুপুর ন্যাশনাল পার্ক নামে পরিচিত এই শাল গজারি বনে বাস করে নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণি আর ক্ষুদ্র নৃজাতি গোষ্ঠির গারো সম্প্রদায়। এলাকাটি দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় হলেও নানা অবস্থাপনায় আকৃষ্ট করতে পারছে না পর্যটকদের।
১৯৬২ সালে ৪০ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে করা হয় মধুপুর ন্যাশনাল পার্ক । ১৯৮২ সালে ২৫ হাজার একর জমি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয় এই পার্কের। ঐতিহ্যবাহী এই বনে এক সময় বাস করতো নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী। ছিল ৫শ প্রজাতির ওষুধি গাছ।
একজন দর্শনার্থী জানান, যদি আরও সুন্দর করে এটাকে উপস্থাপন করা যায় তাহলে বাংলাদেশের যেকোনো পর্যটন কেন্দ্রের চেয়ে, এমনকি সুন্দরবনের চেয়েও এটা অনেক আকর্ষণীয় হবে।
বর্তমানে সংরক্ষিত এলাকায় আছে শুধু হরিণ, বানর, মুখ পোড়া হনুমান ও বাগডাসা। দেশের অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোকে কৃত্রিমভাবে সাজানো হলেও মধুপুর গড়ের সৌন্দর্য পুরোটাই প্রাকৃতিক।
একজন দর্শনার্থী জানান, এখানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নাই। যেহেতু এটা একটা বন এলাকা সেজন্য এখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দরকার।
গভীর জঙ্গল হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত দর্শনার্থীরা। বনে প্রবেশের জন্যে রাস্তা ও নিরাপত্তা দেয়ার দাবি পর্যটকদের।
মধুপুর ন্যাশনাল পার্ককে নতুন করে সাজাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়েছে বন বিভাগ। টাঙ্গাইল বন বিভাগের বন কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা বলেন, একটা প্রকল্প দাখিল করেছি সরকারের কাছে। প্রকল্পটা পাশ হয়ে আসলে আমরা এই পর্যটন শিল্পের জন্য আরও অনেক উন্নয়নমূলক কর্মসূচী নিতে পারবো।
সম্ভাবনাময় মধুপুর ন্যাশনাল পার্ককে পর্যটনের উপযোগী করে গড়ে তোলা সম্ভব হলে এখান থেকে প্রতি বছর সরকারের আয় হবে লাখ লাখ টাকা। পাশাপাশি এ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






