ভারতীয় রুপি বদলে ব্যাংকগুলোতে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ

দুর্নীতি ও কালো টাকা (কর ফাঁকি) রোধে ভারতের বাজার থেকে মোদি সরকারের ৫০০ ও ১০০০ মূল্যমানের মুদ্রা(রুপি) তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তৃতীয় দিনে ব্যাংক ও এটিএম বুথগুলোতে সাধারণ মানুষের লম্বা লাইনসহ নানা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে।
অরাজকতা রোধে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে রাজ্য সরকার গুলোকে ব্যাংক ও এটিএম বুথ গুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনা জারির পর দু’দিন পর্যন্ত ব্যাংক ও এটিএম গুলো বন্ধ ছিলো।
আজ শুক্রবার থেকে পুরাতন ৫০০ ও ১০০০ মূল্যমানের মুদ্রা (রুপি) বদলে নেওয়ার জন্য ব্যাংক ও এটিএম বুথ গুলো খুলে দেওয়া হয়। এর আওতায় ভারতীয় নাগরিকরা পুরান ৫০০ ও ১০০০ মূল্যমানের রুপি বদলে নতুন ৫০০ ও ২০০০ মূল্যমানের রুপি সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হচ্ছে: মধ্যরাতে এটিএম বুথ গুলো খুলে দেওয়ার পর সাধারণ মানুষ বুথ গুলোতে ভিড় করতে শুরু করে। অরাজকতা রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাংক ও এটিএম বুথ গুলোতে অতিরিক্ত আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
মধ্যরাত থেকে লাইনে অপেক্ষা করা সাধারণ মানুষ নতুন মুদ্রা(রুপি) সংগ্রহে ভোগান্তির অভিযোগ করছে। তারা বলছে, হয় নতুন মুদ্রা বিতরণে গতি আনতে হবে; না হলে সরকারকে এ নীতি থেকে সরে আসতে হবে।

দুর্নীতি ও কালো টাকার (কর ফাঁকি) উৎস বের করে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এক নির্দেশনার আওতায় নাগরিকরা ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরান ৫০০ ও ১০০০ মূল্যমানের রুপি বদলে নতুন ৫০০ ও ২০০০ মূল্যমানের রুপি সংগ্রহের সুযোগ পাবে।
ভারতে ৫০০ ও ১০০০ মূল্যমানের রুপি সবচেয়ে প্রচলিত মুদ্রা। এ নির্দেশনা জারির পর সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশের বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের ভোগান্তিতে পড়তে দেখা গেছে। তবে, রেলওয়ে স্টেশন-হাসপাতাল এবং তেল পাম্পগুলোতে আজকের দিন পর্যন্ত পুরান নোট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।






