‘আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, প্রতিপক্ষের জন্য ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই কাজ করছে না আমার মাথায়।’
এই ঘৃণা ব্যক্তি আক্রোশের ঘৃণা নয়। মাঠে আক্রমণাত্মক মেজাজে আক্রমণাত্মক জবাব দেয়ার ঘৃণা। কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার এমন কথা বলেন আসন্ন অ্যাশেজ লড়াইকে ঘিরে। ইংলিশ মিডিয়ায় যেটি উত্তাপ ছড়িয়েছে বেশ। দরজায় যখন কড়া নাড়ছে আরেকটি অ্যাশেজ সিরিজ, এমন বুলি আওড়ানো আবার স্বাভাবিকই! খেলার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই লড়াইকে ঘিরে কথার লড়াই জমাটাও পুরনো রীতি। স্টুয়ার্ট ব্রড ব্যাপারটাকে স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছেন। ওয়ার্নারের বুলিকে (বলা ভাল গালি) নিজেদের ভাল খেলার মন্ত্র হিসেবেও রূপান্তরিত করতে চান এই ইংলিশ পেসার। আবার পাল্টা খোঁচা দিতেও ছাড়েননি।
ওয়ার্নারের কথার সূত্র ধরে স্কাইস্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আবার অজি সাবেক ব্যাটসম্যানদের পাল্টা খোঁচাও দিতে ছাড়েননি ব্রড, ‘এটা একটা নিয়মিত বিষয় যে অ্যাশেজ আসলে বুড়ো ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বর্তমান ক্রিকেটাররা বড় গলা করে গণমাধ্যমে একটু বেশিই কথা বলে। এটা তাদের আক্রমণের একটা ধরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি বেশ অবাক হচ্ছি ভেবে যে, সিরিজ শুরু হতে বাকি ছয় সপ্তাহ; আর গ্লেন ম্যাকগ্রা এখনো বললো না আমরা ৫-০তে সিরিজ হারব!’
সঙ্গে ওয়ার্নারের খোঁচাকে নিজের দলের জন্য অনুপ্রেরণার সূত্র হিসেবেও নিচ্ছেন ব্রড, ‘ওয়ার্নার বেশ প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। সে এমন ব্যক্তি যে যুদ্ধের আবহ পছন্দ করে। সে এখনই অ্যাশেজকে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে ফেলেছে। সঙ্গে আমাদেরও অনুপ্রাণিত করছে।’
অ্যাশেজ আসলেই কথার যুদ্ধে জড়িয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বর্তমান, সাবেক ক্রিকেটার থেকে শুরু করে দুদেশের গণমাধ্যম পর্যন্ত। ২৩ নভেম্বর অজিদের মাটিতে শুরু হতে যাওয়া অগ্নিভস্ম পাত্রের জন্য লড়াইয়ের আগে প্রতিপক্ষকে কথার যুদ্ধে মানসিকভাবে কে ঘায়েল হল, আর কে উতরে গেল সেটি জানতে অবশ্য মাঠের লড়াই পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।










