ব্যাঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএলের নবম আসরের ফাইনালে
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে জয়ের জন্য ২০৯ রানের টার্গেট দিয়েছে
মুস্তাফিজের সানরাইজার্স হায়দারাবাদ। আইপিএলের ফাইনালে যেটা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
শুধু মাত্র শেষ তিন ওভার থেকেই আসে ৫২ রান। যার মধ্যে, শেষ ওভারে ওয়াটসন দেন ২৪ রান।
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না সানরাইজার্সের। ইনিংসের প্রথম পাঁচ বলে মাত্র তিন রান! ম্যাড়ম্যাড়ে শুরুর আভাস থাকলেও ওই ওভারের শেষ বলে শ্রীনাথ অরবিন্দকে সীমানা ছাড়া করে সে শঙ্কা উড়িয়ে দেন শিখর ধাওয়ান। তবে দ্বিতীয় ওভারর পঞ্চম বলেই ধাওয়ানকে তুলে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিস গেইল। কিন্তু সে সুযোগে তালুবন্দী করতে ব্যর্থ হন গেইল। তখন দুই ওভার শেষে রান মাত্র ১২।
শেষ ম্যাচেও যে ওয়ার্নর চমক অপেক্ষা করছে তা কে জানতো! অরবিন্দকে তৃতীয় ওভারের শেষ দুই বলে সীমানা ছাড়া করে জানান দিলেন এই ম্যাচেও জেগে উঠার বার্তা। শেষ পর্যন্ত ওয়ার্নার থামেন ৩৮ বলে ৬৯ রানের চকচেকে ইনিংস খেলে।
তার আগেই অবশ্য ধাওয়ানকে সঙ্গী করে খেলেন ৬৩ রানের অবিচ্ছিন্ন ইনিংস। ক্রিস জর্দানের বলে যুবেন্দ্রর চাহালার হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ধাওয়ান খেলেন ২৫ বলে ২৮ রানের কার্যকারী ইনিংস।
ধাওয়ানের বিদায়ের পর মইসেস হেনরিকস ক্রিজে এলেও থিতু হওয়ার আগেই ফিরে যান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ওয়ার্নারের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটিতে তার অবদান ছিলো মাত্র ৪ রানের। তার বিদায়ে ওয়ার্নারের সঙ্গী হন যুবরাজ সিং।
যুবরাজকে সঙ্গে নিয়ে ওয়ার্নার তুলে নেন ২২ বলে ২৮ রান। দলীয় ১২৫ রানের ফেরেন ওয়ার্নার। শেষ দিকে যুবরাজ খেলেন ২৩ বলে ৩৮ রানের ইনিংস। যুবরাজকে ফেরান জর্ডান। বেন কাটিং ১৫ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
২০ ওভার শেষে সানরাইজার্সের ইনিংস থামে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রানে।








