নবম আইপিএল কি দুর্দান্ত ভাবেই না ব্যাটিং করলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। বরাবরের মতো দলের কাণ্ডারী হয়েছেন ফাইনাল ম্যাচেও।
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়ে জ্বলে হয়ে উঠে ওয়ার্নারের ব্যাট। ব্যাঙ্গালুরুর ঘরের মাঠে তাদের বোলারদের পাড়ার বোলার বানিয়ে মাত্র ৩৮ বলে আটটি চার ও তিনটি ছয়ে করেন ৬৯ রান।
নবম ওভারের পঞ্চম বলে যুবেন্দ্রর চাহালকে কাভার বাউন্ডারি মেরে ২৪ বলেই তুলে নেন নবম ফিফটি। যা আইপিএল ফাইনালে যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। এর আগে ২০১০ ফাইনালে সুরেশ রায়না চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ২৪ বলে ফিফটি করেছিলেন।
পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে নামলেই রানের বন্যা দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। তার ব্যাটেই মাঝে লিগ পয়েন্ট টেবলের একেবারে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল সানরাইজার্স। 
টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের দিকে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে আইপিএল শেষ করল ওয়ার্নার। ১৭টি ম্যাচে ওয়ার্নারের মোট রান ৮৪৮। হাফ সেঞ্চুরি নয়টি, সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ৯৩। ব্যাটিং গড় ৬০.৫৭। পুরো টুর্নামেন্টে ১৫১.৪২ স্ট্রাইক রেট, হাঁকিয়েছেন ৮৮ টি বাউন্ডারি ও ৩১টি ওভার বাউন্ডারি। তিনটি ম্যাচে সেরাও হয়েছেন।
নবম আসরের আইপিএলে ওয়ার্নার নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬-তে পরপর তিনটে আইপিএলে পাঁচশ’র বেশি রান করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন ওয়ার্নার।
ডেভিড ওয়ার্নার ছাড়া আইপিএলে পরপর তিন আইপিএলে পাঁচ’শ রান করার রেকর্ড রয়েছে ক্রিস গেইলের। ক্যারিবিয়ান এই ব্যাটসম্যান ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৩ সালে পাঁচ’শরও বেশি রান করেছিলেন।
শুধু তাই নয়, নবম আইপিএলে ৩ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ক্রিস গেইলের পর দ্বিতীয় বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের এই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ৩ হাজার রান করলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। সব মিলিয়ে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি।









