রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে জরুরি সভায় বসবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গভর্নর ফজলে কবীরের সভাপতিত্বে ওই সভায় ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য এবং ১৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সেখানে অর্থমন্ত্রলাণয়ের প্রতিনিধিও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
এমন এক সময় জরুরি এ সভা আহ্বান করা হলো; যখন গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সমন্বিত আট ব্যাংকের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
সোমবার ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যসচিব মো. মোশারফ হোসেন খান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আগামীকালকের (মঙ্গলবার) জরুরি বৈঠক শেষে আমাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংকের পরীক্ষায় বিভিন্ন অনিয়ম এবং অবস্থাপনার অভিযোগ তুলে এ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি পালন করছে চাকরিপ্রার্থীরা। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীদের জন্য আসন বিন্যাস না থাকা, যে যার মতো করে বসে পড়া, বসতে না পেরে কয়েকটি কেন্দ্রে মারামারি, নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু না হওয়া, সময় মত প্রশ্ন হাতে না পাওয়া, মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষার হলে যাওয়া, দেখে দেখে লেখাসহ নানান অভিযোগ তোলেন নিয়োগপ্রার্থীরা।
সোমবার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির সামনে মানববন্ধন করে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর ছয় দফা দাবিতে স্মারকলিপিও দিয়েছে। এর আগেরদিনও একই দাবিতে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেয় এবং মানববন্ধন করে।
রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৬৬৩টি সিনিয়র অফিসার পদে সমন্বিতভাবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় গত বছরের আগস্টে। এই পরীক্ষার মাত্র পাঁচ দিন আগে রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংক সোনালী, রূপালী এবং জনতার সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রমে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ায় সমন্বিত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। পরে চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টে সে রায় ছয় সপ্তাহের জন্য স্থগিত করলে পরীক্ষার একদিন আগে গত বৃহস্পতিবার বিএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয় আট ব্যাংকেরই পরীক্ষা হবে। সে ঘোষণা অনুযায়ী গত ১২ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকা সিটির ৬১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।








