পহেলা বৈশাখ উদযাপন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। যেকোনো ধরণের অপচেষ্টা শক্ত হাতে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারী দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে গত বছর টিএসসিতে অনাকাঙ্খিত ঘটনায় সমালোচনার মুখে এবার একটু বাড়তি সতর্ক পুলিশ। বৈশাখের নিরাপত্তা বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিএমপির যৌথ ব্রিফিংয়ে জানানো হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিস্তারিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি শহীদ আখতার হোসেন বলেন, বিকট শব্দের কর্ণবিদারী ভুভুজেলা বাঁশি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপির সহযোগিতায় নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি লাগানো হয়েছে, ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে এবং সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পর্যাপ্ত আলো ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও বিএনসিসি ক্যাডার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিএমপির বিধিনিষেধ মেনে চলতে জনগণের প্রতি অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই আমাদের সহযোগিতা করবেন। ৫টার মধ্যে সব ধরনের অনুষ্ঠান শেষ করবেন, তবে এরপরও কোনো সুরক্ষিত স্থানে বা ইনডোরে অনুষ্ঠান করতে পারেন। এবং রাস্তায় ঘোরাফেরা, গল্প করায় আমরা পূর্ণ সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দিবো।
নির্ধারিত সময় শেষে উন্মুক্ত স্থান ছাড়া সুরক্ষিত জায়গায় পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান করতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে ডিএমপি।









