সকালে সৌম্য ‘খেলবো, খেলবো না’ করতে করতে উইকেট বিলিয়ে আসেন। লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে পথ হারান সাকিব। রিয়াদও দ্রুত পথ ধরেন। স্বস্তির উদ্বোধনী জুটির পর এমন ধাক্কায় এলমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশ। মিরাজকে নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছিলেন অধিনায়ক মুশফিক। সেখান থেকে ১০৬ রানের জুটি গড়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন মিরাজ (৪১)।
দ্বিতীয় দিন সৌম্য-তামিম ১১৮ রানের জুটি উপহার দেন। যেটা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সেরা উদ্বোধনী জুটি। বৃহস্পতিবার সৌম্য ব্যক্তিগত ৭১ রানে ফিরে যান। দ্বিতীয় দিন তামিম ফিরেছিলেন ৬৬ রানে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৮। মুশফিক ৭৫ রানে ব্যাট করছেন।
সৌম্যকে লেগ স্টাম্পের উপরে শর্ট বল করেছিলেন সুরাঙ্গা লাকমাল। প্রথম ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কী মনে করে শেষ মুহূর্তে ব্যাট দিতে চান। অলস এই শটের খেসারত দেন ফাইন লেগে ধরা পড়ে। ফেরার আগে ১৩৭ বলে ৭১ রান করে গেছেন।
সাকিবকে (২৩) ফিরিয়েছেন লাক্সান সান্দাকান। তার আউটের ধরণটাও প্রায় তামিমের মতো। লেগ স্টাম্পের বলে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন। দ্রুত এসে ফিরে যান মুমিনুল হক (৭)। বোল্ড হওয়ার আগে রিয়াদ করেছেন ৮।
শ্রীলঙ্কা সবকটি উইকেট হারিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান করে। বাংলাদেশের সফল বোলার বলতে এক মিরাজ। ২২ ওভার বল করে ১১৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন তরুণ স্পিনার। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মোস্তাফিজ ২৫ ওভারে দুই উইকেট নিয়েছেন। রান দিয়েছেন ৬৮। সবচেয়ে বেশি হাত ঘুরিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৩২ ওভারে ১০০ রান খরচায় এক উইকেট তার। শুভাশিস রায় প্রথমদিন এক উইকেট নিয়েছিলেন। তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।তাসকিন ফিরিয়েছেন একজনকে।
লঙ্কানরা বড় স্কোর গড়ে কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে ভর করে। প্রথম দিন শুভাশিসের বলে শূন্য রানে জীবন পাওয়া এই ব্যাটসম্যান একাই করেছেন ১৯৪। আসিলা গুনারত্নে মিডলঅর্ডারে ৮৫ করে তাকে সঙ্গ দেন। নিরোশান ডিকেওয়াল্লা করেন ৭৫। অর্ধশতক পেয়েছেন দিলরুয়ান পেরেরাও (৫১)।







