বিশ্বে বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ৮২১ মিলিয়ন লোক অপুষ্টিতে ভুগছে। অথাৎ প্রতি ৯ জনে একজন করে অপুষ্টির শিকার। ২০১৭ সালের জাতিসংঘের এক গবেষণায় এই তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।
গবেষণায় তথ্যানুসারে দেখা যায় গত তিন বছরে বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। পাঁচ বছরের নিচে প্রায় ১৫১ মিলিয়ন শিশু নিম্ন অপুষ্টিতে ভুগছে যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২২ শতাংশ।
জাতিসংঘের গবেষকদল বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে জলবায়ুর চরম পরিবর্তনকে দায়ী করছে। সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকে সম্মিলিতভাবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
রিপোর্টে বলা হয়, উন্নত বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অধিক পুষ্টিজনিত কারণে প্রতি ৮ জনে একজন স্থূলতার শিকার হচ্ছে যার সংখ্যা প্রায় ৬৭২ মিলিয়নের বেশি।
গবেষণায় দেখানো হয় দ্রুত জলবায়ুর চরম পরিবর্তনের ফলে ১৯৯০ সালের পর থেকে বন্যা, খরা, ঝড়সহ নানা ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রায় দুইগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।জলবায়ুর পরিবর্তন আমাদের শস্য উৎপাদন এবং খাদ্য সরবরাহের উপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।তবে সমাধান হিসেবে তারা দুইটি উপায়ের কথাও উল্লেখ্য করেছেন। তারা মনে করেন খাদ্য শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে যোগ্য ও দক্ষ লোক নিয়োগ এবং নিরাপদ পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থিক নিশ্চয়তা করতে পারলে এই অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে।
বিশ্বে যেসব দেশের মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল ও কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা প্রাকৃতিক বৃষ্টির পানি ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে সেইসব দেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের ওই গবেষকদল।









