বিশ্বকাপে মাঠের খেলায় ব্যস্ত থাকবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। নিজ নিজ দলকে সমর্থন দিতে ইংল্যান্ডে হাজির হওয়ার সম্ভাবনা আছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। আর এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না ব্রিটিশ সরকার। কাশ্মীরের পুলওয়ামা হামলার জেরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি প্রশমনে দুই ক্ষমতাধর দেশের সরকার প্রধানকে মুখোমুখি সাক্ষাতে বসিয়ে দিতে চায় ব্রিটিশ সরকার।
ভারতে এখন চলছে লোকসভা নির্বাচন। আগামী মে মাসের শেষভাগে পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কে বসছেন দিল্লীর মসনদে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুনরায় নির্বাচিত হলে বিশ্বকাপে ভারত দলকে সমর্থন দিতে যেতে পারেন ইংল্যান্ডে। মোদীর জায়গায় অন্য কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে তারও সম্ভাবনা আছে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে যাওয়ার।
অন্যদিকে ইমরান খানের সেই সমস্যা নেই। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আগেভাগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, মাঠে বসেই দেখতে চান অন্তত দুটি ম্যাচ। লন্ডনে তিনদিন অবস্থান করারও কথা আছে তার।
চিরবৈরী দুই দেশের সরকার প্রধান কেবল খেলা দেখে ইংল্যান্ড ছাড়বেন তা চায় না দেশটির সরকার। ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে এসে যেন একটা রাজনৈতিক সমাধানও বের হয় তারও ব্যবস্থা করতে বেশ উৎসুক ব্রিটিশ সরকার। পাকিস্তানের দৈনিক ‘দ্য নেশন’ লিখেছে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা কমাতে বেশ তৎপর যুক্তরাজ্য। তবে মোদী ক্ষমতায় এলে সেই মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাটা থাকবে বেশি।
৩০মে শুরু হবে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ। ১৬ জুন ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান।








