বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর (ডিজি) পদে আহমেদ জামালকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ডেপুটি গভর্নর পড়ে নিয়োগের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের সাথে যে চুক্তি হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর সেই চুক্তিতে গত বৃহস্পতিবারে সই করছেন আহমেদ জামাল। যা বর্তমানে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দপ্তরে রয়েছে। রাষ্ট্রপতি সই দেয়ার পরই নিয়োগ দেয়া হবে। ১৯৮৪ সালে আহমেদ জামাল সরাসরি সহকারী পরিচালক পদে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পরে তাকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেয়া হয়। তার শূন্য হওয়া এ পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় ছিল ১৮ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
এরপর জানুয়ারির শেষদিকে ৬ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেয় এ সংক্রান্ত সার্চ কমিটি। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রহিম, আহমেদ জামাল, মোহাম্মদ মাসুম কামাল ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান জোদ্দার ও সাবেক নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা। আর অন্য প্রার্থী হলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের ডিএমডি কাজী আলমগীর।
এসব প্রার্থী থেকে বাছাই করে ওই কমিটি দুই জনের নাম সুপারিশ করে তা অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠায়। ওই দুজন থেকে একজনকে চূড়ান্ত করে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল।
প্রার্থী বাছাইয়ের বা সার্চ কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয় পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটিকে। কমিটিতে সদস্য হিসাবে ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখদ, বিআইডিএসের মহাপরিচালক এস কে মুরশিদ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফজলুল হক।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশনস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ও সহকারী মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আহমেদ জামালকে ডেপুটি গভর্নর পদে নিয়োগের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের সাথে যে চুক্তি হয়, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর সেই চুক্তিতে তিনি সই করছেন। চুক্তিটি বর্তমানে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে রয়েছে বলে জানা গেছে। এখনও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেনি।










