বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সীমান্তে ভারতের কাঁটাতারের ওপারে বিএসএফের বিলাসবহুল জীবনচারণ এবং নামিদামি ক্লাবের উপস্থিতি বেশ লক্ষ্য করা যায়। এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সন্ত্রাস এবং অবৈধ কার্যকলাপের সাথে লিপ্ত থাকায় ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে। যারা বেশিরভাগই দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসার।
তবে বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণের পর বিএসএফ সেকশন অফিসার বলেন, নিয়মিত আমরা প্রমাণসহ সন্দেহভাজন কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করছি এবং দুর্নীতির আভাস পাওয়া মাত্র তালিকা করছি ওই নামগুলো। তবে এমন পদক্ষেপকে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্যরা হাস্যকর বলে অভিহিত করেছেন।
২০১৭ সাল থেকে এই তালিকা করা হয়ে থাকলেও উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি বিএসএফ। তবে বর্তমানে ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা সনাক্ত করার জন্য প্যারামিটার বসিয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসীদের সাথে সম্পৃকতা থাকায় এবং হাতেনাতে ৪৫ লাখ রুপি আটক করার অভিযোগে সিবিআইয়ের একজন সিনিয়র কমান্ডিং অফিসারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার পোস্টিং ছিল পশ্চিমবঙ্গের ইন্দো-বাংলা সীমান্তে।
পিটিআই সূত্রে জানা যায়, ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর সদর দফতর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুই সীমান্তে যারা কর্মরত থাকবে তাদের বিশেষ নজরদারির মধ্যে রাখা হবে এবং প্রতিনিয়ত তাদের রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
যদি রিপোর্টে উঠে আসে কোন কর্মকর্তা তার নিজের উপার্জনের চেয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে এবং ধনী ক্লাবে যাচ্ছে তাহলে তাৎক্ষণিক সেই সব কর্মকর্তাদের ওপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং তাদের সম্পত্তি অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।
তবে এই পরিকল্পনার বিষয়ে বলা হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসার খুঁজে বের করা এতটা সহজ কাজ না।










