বাংলাদেশকে সাহায্য করতেই নিজদেশ ছেড়ে এই পরবাসে এসেছিলেন তিনি। কে জানতো সেটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে।
শুক্রবার রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন হিরোশি তানাকা। নিহত সাত জাপানীর মধ্যে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বয়সী।
বাংলাদেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক বাড়ানোর কাজে সহায়তা করতেই এদেশে এসেছিলেন ৮০ বছর বয়সী এই মানুষটি।
নিজের পুরো কর্মজীবন রেল নিয়ে কাজ করেই কাটিয়েছেন হিরোশি। তাই বয়সকালেও নানান এশীয় দেশগুলোতে এই কাজে সহায়তাকারী হিসেবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
অন্যান্য সময়ের মতো সেও জাপানে ফেরত আসবে বলেই মনে করেছিলেন তার পুরনো বন্ধু আকিফুয়ু নাকামুরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ভয়ঙ্কর লজ্জায় পরিণত হয়। দলের জন্য নানান কিছু সংগ্রহ করাই ছিল তার কাজ। দিনের কাজ শেষ করার পরপরই হয়তো সে আক্রমণের শিকার হয়েছিল বলেন নাকামুরা।
ইয়োকোহামার বাসিন্দা তানাকা একটি প্রজেক্টের অংশ হিসেবেই বাংলাদেশে এসেছিলেন। এর আগে জাপানের জাতীয় রেলওয়েতে টেকনিশিয়ান হিসেবেও কাজ করেন তিনি। জাপানের রেলওয়ে টেকনোলজি ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও মায়ানমারে রপ্তানি করার কাজে যুক্ত ছিলেন তানাকা।








