জঙ্গি কার্যক্রম প্রতিরোধে বন্ধুপ্রতীম ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। শুক্রবার রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার পর মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অাসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
তিনি
বলেন, সন্ত্রাসবাদ আমাদের সকলের শত্রু। দেশের উন্নয়নে এটি সবচেয়ে বড় বাধা।
আমরা সকলে মিলে যখন এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো তখনই কেবল তা রোধ করা সম্ভব।
তাই সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় পার্শ্ববর্তী বন্ধুপ্রতীম সহযোগিতা চাইছি এবং
আমরা সেটা গ্রহণ করবো। আশা করছি একাজে আমাদের পার্শ্ববর্তী বন্ধুপ্রতীম
দেশগুলোকেও আমরা পাশে পাবো।
দেশে একটার পর একটা ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে দেশকে রক্ষা করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে কেউ যেন আপনার সন্তানকে বিপথে চালিত না করতে পারে, কেউ যেন তাকে ভুল কোনো পদক্ষেপ নিতে সহযোগিতা করতে না পারে, দেশের উন্নয়নে বাধার সৃষ্টি করতে না পারেন, তার মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটিয়ে যেন অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে না পারে। তাই সকল অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিক মিলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শান্তির ধর্ম ইসলাম কখনো মানুষ খুনকে সমর্থন করে না।
এর আগে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে যেসব জঙ্গি কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছে এ ঘটনা তারই পুনরাবৃত্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১ জুলাই শুক্রবার রাত নয়টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে চালানো জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ২২ জন নিহত হয়। সেনা, নৌ ও পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর কমান্ডো অভিযানে মৃত্যু হয় ৬ হামলাকারীর। আটক করা হয় এক সন্দেহভাজন হামলাকারীকে।
পরদিন শনিবার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে হামলায় নিহতদের স্মরণে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







