উড়তে থাকা বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে হারিয়ে মাটিতে নামিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ফাইনালের আগের এই ম্যাচে পেস বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের দৃষ্টিকটু দুর্বলতা ফুটে ওঠে। ২৭ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিততে হলে এই দিকটি নিয়েই বেশি করে ভাবতে হবে স্বাগতিকদের।
বাংলাদেশ তিন জয় নিয়ে ফাইনাল খেলবে। শ্রীলঙ্কা দুই জয় নিয়ে।
বাংলাদেশ এদিন আগে ব্যাট করে ২৪ ওভারে ৮২ রানে অলআউট হয়। ওয়ানডেতে যা মাশরাফীদের নবম সর্বনিন্ম রান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে একবার ২০০২ সালে এসএসসিতে ৭৬ রানে অলআউট হয়েছিল সাকিবরা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বনিন্ম রান ৫৮, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার গুনাথিলাকা (৩৫) এবং থারাঙ্গা (৩৯) হেসেখেলে ১১.৫ ওভারে ম্যাচ শেষ করে আসেন।
ওয়ানডেতে এই নিয়ে ছয়বার ১০ উইকেটে জয় পেল শ্রীলঙ্কা। তার মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনবার। উইকেটের দিক দিয়ে শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় জয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৬৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করে ৯৭ বল হাতে রেখে জিতেছিল তারা।
এদিন তারা ২২৯ বল হাতে রেখে জয় পায়। টার্গেট ৮৩ হওয়ায় এটি তাদের ষষ্ঠ বড় জয়।
বাংলাদেশ শুরু থেকে উইকেট হারাতে থাকে। ওপেনার বিজয় রানের খাতা খোলার আগেই পথ ধরেন। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সুরঙ্গা লাকমাল তাকে বোল্ড করেন। আগের তিন ম্যাচে যথাক্রমে ১৯, ৩৫ এবং ১ করেছিলেন। এরপর রানআউট হন ইনফর্ম ব্যাটসম্যান সাকিব (৮)।
তিন ম্যাচে টানা অর্ধশতক করা তামিম এদিন ৫ রান করে ফেরেন। লাকমালের বলে গুনাথিলাকার হাতে ক্যাচ দেন। রিয়াদ ফেরেন দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে। লাকমালের পরিষ্কার ফাঁদে পা দেন। ডিপফাইন লেগে ফিল্ডার রেখে শট বল করেন। রিয়াদ (৭) পুল করতে যেয়ে সেখানেই ক্যাচ তুলে দেন! মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি ১৮ রান পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
মুশফিক ৫৬ বলে ২৬ করে বিদায় নেন। এরপর সর্বোচ্চ রান সাব্বিরের, ১০। আবুল হাসান রাজু ৭, নাসির ৩, মাশরাফী ১ এবং রুবেল ০ রানে ফেরেন।
লঙ্কান পেসার সুরঙ্গা লাকমাল ৭ ওভারে ২১ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। দুশমন্ত চামিরা ৫ ওভারে ৬ রান দিয়ে দুজনকে ফেরান। আরেক পেসার থিসারা পেরেরা দুই উইকেট নিতে ৬ ওভারে ২৭ রান দেন। হাত ঘোরানো একমাত্র স্পিনার লক্ষ্মণ সান্দাকান দুই উইকেট নেন ২৪ রান খরচায়। তিনি ৬ ওভার বল করেন।







