ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, খামেনিসহ যুদ্ধে নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এ প্রতিশোধ কার্যকর হওয়া ‘অনিবার্য’।
শনিবার (১১ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার কার্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার কয়েক মাস পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন উপলক্ষে মোজতবা খামেনির এই লিখিত বার্তা প্রকাশ করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, আমরা এই দুই যুদ্ধের শহীদ নেতা এবং সকল শহীদের রক্তের প্রতিশোধ অপরাধী ও কলঙ্কিত হত্যাকারীদের কাছ থেকে নেওয়ার অঙ্গীকার করছি।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিশোধ তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি বা অন্য কোনো কর্মকর্তার অস্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা উপস্থিত থাকি বা না থাকি, এটি ঘটবেই।
বার্তায় তিনি ইরান ও ইরাকজুড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অংশ নেওয়া লাখো মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তেহরান, কোম, নজফ, কারবালা ও মাশহাদে সমবেত জনতার উপস্থিতিকে তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হয়। এ সময় হাজার হাজার সমর্থক তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয়ে আছেন। নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো হামলা হলে ইরানের ওপর নজিরবিহীন মাত্রার বোমা হামলার নির্দেশ আগে থেকেই দেওয়া আছে।
তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানের নতুন কোনো হত্যাচক্রান্তের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, নতুন কোনো পরিকল্পনার তথ্য তার জানা নেই। বহু বছর ধরেই ইরান তার মৃত্যু কামনা করে আসছে।







