১০ ওভারে ৬৩ রানে ৩ উইকেট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের শুরুর অংশের স্কোর ছিল হতাশ করার মতোই! রানের ঘাটতি মিটিয়ে লড়াকু সংগ্রহই দলকে এনে দিয়েছেন দুই তরুণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিক। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫৭ বলে বলে ৮৭ রান যোগ করে এনে দিয়েছেন দেড়শ পেরোনো পুঁজি।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে এসেছে ১০২ রান।
সিরিজজুড়ে ধারাবাহিক হৃদয় ৩৮ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে ব্লেসিং মুজারাবানির বলে বোল্ড হন ১৯তম ওভারে। দুবল পর জাকেরকে বোল্ড করেন এ পেসার। ৩৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন টাইগার মিডলঅর্ডার ব্যাটার।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪ বলে ৯ ও রিশাদ হোসেন ৪ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
৪ ওভারে ১৪ রানে ৩ উইকেট নেন মুজারাবানি। এ পেসারের পরপর দুই বলে পেছনের দিকে মারতে গিয়ে ব্যাটে লাগাতে ব্যর্থ হন ওপেনার লিটন দাস। এরপরও নাছোড়বান্দা হয়ে একই শট খেলেন পরের বলেও। এবার ব্যাটে বল লাগলেও কোণা স্পর্শ করে ভাঙে স্টাম্প।
জিম্বাবুয়ে পেসারের সামনে লিটনের ওই শট অবাক করার মতোই। তার প্রশ্নবিদ্ধ শটে আউটের পর ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ।
১৫ বলে ১২ রান করে লিটন ফেরার পর নাজমুল হোসেন শান্ত বোল্ড হন সিকান্দার রাজার বলে। ৪ বলে ৬ রান করে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ২ উইকেট হারানোয় পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ৪২ রানের বেশি তুলতে পারেনি স্বাগতিক দল।
আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ২২ বলে ২১ রান করে পেসার ফারাজ আকরামের শিকার হন। ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দেন এ বাঁহাতি।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রাজার দল। টস পর্বে শান্ত বলছিলেন জিতলে আগে ব্যাটিংই করতেন। চট্টগ্রামে মেঘাচ্ছন্ন দিনে প্রত্যাশা মতো আগে ব্যাটে নামা গেলেও শুরুটা ভালো করতে পারেনি তার দল।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ সামনে থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারছে না টপঅর্ডার।
সিরিজ জয়ের হাতছানি নিয়ে নামা ম্যাচের একাদশে এসেছে দুই পরিবর্তন। স্পিন-অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও পেসার শরিফুল ইসলাম খেলছেন না। পরিবর্তে নেমেছেন পেসার তানজিম হাসান সাকিব ও স্পিনার তানভীর ইসলাম।








