আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন দাবি করা ওলামা লীগের একাংশ মনে করে, প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন যে এদেশে আলেম-ওলামা ছাড়া কিছু হবে না। তাই আলেমদের দাবি মেনে নিয়ে হাইকোর্টের সামনে থেকে ‘মূর্তি’ সরানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
বুধবার ওলামা লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী চ্যানেল অাই অনলাইনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসলে বুঝতে পেরেছেন যে এদেশের আলেমরা এবং মুসলিমরা মূর্তি পছন্দ করেন না। তাই তিনি আলেমদের দাবি মেনে তা অপসারণের আশ্বাস দিয়েছেন।
‘তিনি আসলে বুঝতে পেরেছেন যে এদেশে আলেম-ওলামাদের ছাড়া কিছু হবে না। তাই তাকে মোবারকবাদ জানাই।’
তবে কওমি মাদ্রসার স্বীকৃতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও, কওমি মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার ‘আধুনিকায়নের পক্ষে মত দেন তিনি।
আলিয়া মাদ্রসা থেকে পড়াশুনা করা শরীয়তপুরী বলেন, ‘আমরা যারা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে পড়েছি তারা ছোটবেলা থেকেই বাংলা, ইংরেজি, অংক করে এসেছি। কিন্তু কওমি মাদ্রাসায় এসব কিছু পড়ানো হয় না। তাই আমি মনে করে তাদের শিক্ষার আধুনিকায়ন দরকার।
হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের সামনে থেকে লেডি জাস্টিস’র ভাস্কর্য অপসারণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণভবনে হেফাজতের আমির আল্লামা আহমদ শফীসহ কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক বিভিন্ন আলাম ওলামাদের সঙ্গে সাক্ষাতে এ আশ্বাস দেন।








