তিন বছর আগে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের সদস্য হন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ফকিরাবাদ গ্রামের প্রান্তিক কৃষক রেজাউল হক, রবিউল ইসলাম, রিন্টু রহমান, ফাহিমা খাতুন ও আবুল হোসেন। ২০১৩ সালে প্রকল্প থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ করে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে গড়ে তুলেন পেয়ারা বাগান।
পাঁচ প্রান্তিক কৃষকের সাথে যৌথভাবে ১০ বছরের জন্য ১০ বিঘা জমি বর্গা নেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান। পাঁচ প্রান্তিক কৃষক বাগানের লভ্যাংশের পাশাপাশি শ্রমের মজুরিও পান।
পেয়ারা বাগানে অনুসরণ করা হচ্ছে সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতি। পোকামাকড় প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয় ব্যাগিং পদ্ধতি।
একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ভেড়ামারা উপজেলার সমন্বয়কারী তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন বাজারে বিষমুক্ত পেয়ারার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, আজ দুই বছর ২ লাখ ২০ হাজার টাকার মতো পেয়ারা বিক্রি হয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবে কৃষকেরা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হবে।
বছরের দুটি মৌসুমে এ বাগান থেকে পেয়ারা পাওয়া যায়। শীত মৌসুমে ফলন কম হলেও দাম ভালো পাওয়া যায়।







