বাংলাদেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীভিত্তিক ছবি ‘পরবাসিনী’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৫ মে। স্বপন আহমেদ পরিচালিত ছবিটি প্রযোজনা করেছে রেগে এন্টারটেইনমেন্ট। বাংলাদেশ ছাড়া ছবিটি পর্যায়ক্রমে মুক্তি পাবে মধ্যপ্রাচ্যে ও আমেরিকায়। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার এ ছবির মিডিয়া পার্টনার চ্যানেল আই। ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়া উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের হোটেল আমারিতে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশস্থ ফরাসি রাষ্ট্রদূত সোফি ওবাট, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, প্রযোজনা সংস্থা রেগে এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশের পরিবেশনা দায়িত্বে থাকা টিওটি ফিল্মসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রযোজক খোরশেদ আলম, আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে থাকা স্বপ্ন স্কেয়াক্রোর সিইও সৈকত সালাউদ্দিন, ছবির পরিচালক স্বপন আহমেদ, অভিনয়শিল্পী মামনুন হাসান ইমন, অপ্সরা আলী, সোহেল খান, দাউদ হোসেন রনি প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন অপু মাহফুজ।
সংবাদ সম্মেলনে সোফি ওবাট বলেন, ‘আমাকে এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে ডেকেছেন, এজন্য ধন্যাবাদ। ছবিটি নির্মাণের সময়ও চেষ্টা করেছি সহযোগিতা করার। ভবিষ্যতেও পাশে থাকব।’
ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘স্বপন আহমেদ অনেক সময় নিয়ে কাজ করেন। যত্ন সহকারে ছবি নির্মাণে সময় একটু লাগে। এই ছবিতে দর্শক নতুন কিছু পাবে। নির্মাতার জন্য শুভকামনা রইল।’
খোরশেদ আলম বলেন, ‘বর্তমানে চলচ্চিত্রের ক্রান্তিকাল চলছে, বিশেষ করে সাউথ ইন্ডিয়ার অনুকরণ প্রীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দর্শক বিরক্ত এসব ছবি দেখে। এ সময়ে এসে স্বপন আহমেদ ভিন্নধর্মী একটি ছবি নির্মাণ করেছেন। তাকে সাধুবাদ জানাই।’

এ কে এম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এই ছবি নির্মাণে ফরিদুর রেজা সাগর আমাকে ওতপ্রোতভাবে সহযোগিতা করেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি অ্যাম্বাসাডর সোফি ওবাটকে। ফ্রান্সে ছবির শুটিং করতে সহযোগিতা না করলে হয়তো এত ভাল একটি ছবি নির্মাণ করতে পারতাম না।’
ছবিতে অভিনয় করেছেন মামনুন হাসান ইমন, সব্যসাচী চক্রবর্তী, জুন মালিয়া, উর্বশী রাউটেলা, সোহেল খান, অপ্সরা আলী, চাষী আলম প্রমূখ। আন্তর্জাতিক পরিবেশনার অংশ হিসেবে ছবিটি পর্যায়ক্রমে কানাডা, আরব আমিরাত, ওমান ও আমেরিকায় মুক্তি দেয়া পাবে।
ছবির শুটিং শুরু হয় ২০১২ সালে। শুরুতে এই ছবির অভিনয়শিল্পী ছিলেন নিরব ও মেহজাবীন। পরে অভিনয়শিল্পীর তালিকায় পরিবর্তন আনা হয় হয়। ছবিটির শুটিং হয়েছে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, জার্মানি ও ইতালিতে।
ছবি : জাকির সবুজ








