১৭ জুলাই বিশ্ব ইমোজি দিবস।পঞ্চমবারের মত বিভিন্ন দেশে খুব সাজসজ্জার মধ্য দিয়েই পালিত হচ্ছে ইমোজি দিবস।
বিশ্বজুরে ইমোজি’র জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে অনেকে মনে করছেন, খুব সহজেই সামাজিক মাধ্যম গুলোতে মনের ভাব প্রকাশ পায় একেকটা ইমোজির মাধ্যমে। ইদানীং টেক্সট ভিত্তিক ক্ষুদে বার্তার চেয়েও এগিয়ে আছে এমন অনেক ইমোজি।
ইমোজির বিবর্তন দেখলে দেখা যায় ২০১৪ সালে ১৭ জুলাই প্রথম ক্যালেন্ডার তালিকায় জায়গা করে নেয় ইমোজি। এরপর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
অনেকে নিজের মনের ভাব হয়ত লিখে প্রকাশ করতে না পারলেও ইমোজি দিয়ে সহজেই প্রকাশ করা যাচ্ছে দেখে এর চাহিদা বাড়ছে বলে জানান ইমোজির প্রবর্তনকারী জেরেমি বার্গ। তবে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করেই জনপ্রিয় ইমোজিগুলোই স্বীকৃতি পেয়ে থাকে।
ইন্টারনেট জগতে টেক্সট ভিত্তিক বার্তার পরিবর্তে পিকটোগ্রাফি অর্থাৎ ছবির মাধ্যমে নিজের আবেগ প্রকাশকে ইমোজি বলা হচ্ছে। ইদানীং ফেসবুক লাইভেও ইমোজির অসংখ্য ব্যবহার দেখা যায়।
এ বছর এ উপলক্ষে ‘ইমোজি অ্যাওর্য়াডের’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা অনলাইনে ভোটের মাধ্যমে সেরা নতুন ইমোজি বাছাই করতে পারবেন।http://worldemojiawards.com/।
তবে নির্ধারিত সময় দুপুর ২টায় শেষ হয়ে যাবে। নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ লাইভের মধ্য দিয়ে ৩টা ২০ মিনিটে নতুন ইমোজির ঘোষণা করা হবে।







