বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন- নৌকা ডুবে গেছে, এটা তারা বুঝতে পারছে না। আর হাজার চেষ্টা করেও আপনি (প্রধানমন্ত্রী) লোকজন দিয়ে এ নৌকা টেনে তুলতে পারবেন না।
শনিবার রাজধানীর গুলশানে ইম্যানুয়েলস নিউ হলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
জাগপা সভাপতি অধ্যাপক রেহানা প্রধানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন- নৌকার সঙ্গে (ডানে-বায়ে) যাদের রেখেছেন, তারা কী জিনিস সেটা আপনি নিজেই বলেছেন। তাদের জীবন-যাত্রার মান কী! আমাকে নতুন করে কিছু বলতে হবে না। সুতরাং এদের দিয়ে দেশের কিছু হবে না, আপনিও কিছু করতে পারবেন না।
তিনি বলেন- হাসিনাকে বাদ দিতেই হবে, তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতেই হবে। তবেই তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু তার অধীনে নির্বাচন নয়।
দেশের অবস্থা মোটেই ভালো না উল্লেখ করে খালেদা বলেন- দেশে এখন প্রয়োজন সত্যিকারের জনগণের সরকার। যারা দেশে ও জনগণের কাজ করবে।
বেগম জিয়া বলেন- সামনে ঈদ, সবার বাড়ি যাওয়ার প্রবণতা থাকে। কিন্তু রাস্তা-ঘাটের যে দুরাবস্থা, ৫ ঘন্টার রাস্তা ১০ ঘন্টায় অতিক্রম করতে হয়। আবার যানজট হলে ১৫ থেকে ২০ ঘন্টাও লাগে। অথচ রাস্তায় কোন পাবলিক টয়লেট নেই। একারণে বিশেষ করে মহিলাদের কষ্ট বেশী হয়। কিন্তু সরকারের এগুলো চিন্তা করা উচিত।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনগণের নয়, আওয়ামী লীগের মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন- প্রধানমন্ত্রী বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত। রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামে যে ঘটনা ঘটলো, এই ঘটনা ১০টা কত মিনিটে হয়েছে আর তিনি ১২ কত মিনিটে দেশ ত্যাগ করেছেন, কেনো?
তিনি বলেন, দেশে এত বড় ঘটনা। ১৭০ জন্য মারা গেছে। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এত বড় ঘটনার পরেও তিনি দেশ ত্যাগ করলেন কি করে? জনগণের প্রতি তার ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ কি আছে? থাকার কথা না। কারণ তিনি মনে করেন, জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী হন নাই। তিনি আজ দেশে ফিরেছেন। এখন মায়া কান্না দেখাবেন।
খালেদা জিয়া বলেন, ঘটনা আমাদের দেশে হয়েছে। বিদেশের অনুষ্ঠান বাদ দিলে বুঝতাম দেশের মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা আছে।







