মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ আর্থিক বিবরণীতে উঠে এসেছে তার আয়ের নতুন চিত্র। ২০২৫ সালের প্রকাশিত আর্থিক ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, গত বছরে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত থেকেই তিনি ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছেন, যা তার ঐতিহ্যবাহী রিয়েল এস্টেট ব্যবসার আয়কেও ছাড়িয়ে গেছে।
আজ (১ জুলাই) বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রকাশিত ৯২৭ পৃষ্ঠার আর্থিক ঘোষণাপত্রে ট্রাম্পের বিভিন্ন ব্যবসা ও বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়ের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, তার বিপুল আয়ের বড় অংশ এসেছে নিজস্ব মিম কয়েন এবং পারিবারিক মালিকানাধীন ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান থেকে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে চালু হওয়া ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ থেকে রয়্যালটি বাবদ ট্রাম্প ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। যদিও পরবর্তীতে এই ডিজিটাল মুদ্রাটির বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এছাড়া তার সন্তানদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল’ থেকে ট্রাম্পের আয় ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
একসময় বিটকয়েনকে প্রতারণা বলে সমালোচনা করা ট্রাম্পের জন্য এখন ক্রিপ্টোকারেন্সিই সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।
আর্থিক বিবরণীতে দেখা যায়, রিয়েল এস্টেট ও গলফ ব্যবসা থেকেও তিনি শত শত মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। ফ্লোরিডার ডোরালে অবস্থিত তার গলফ ক্লাব থেকে ১২২ মিলিয়ন ডলার এবং মার-এ-লাগো ক্লাব থেকে প্রায় ৭৭ মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।
এছাড়া নিউ জার্সির বেডমিনস্টার, ফ্লোরিডার জুপিটার এবং স্কটল্যান্ডের টার্নবেরির গলফ ক্লাবগুলোর প্রত্যেকটি থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য বিক্রিও তার আয়ের বড় উৎস। আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ট্রাম্প ব্র্যান্ডের ঘড়ির রয়্যালটি থেকেই এসেছে ৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি ট্রাম্প-থিমযুক্ত বাইবেল, স্নিকার, সুগন্ধি ও গিটার বিক্রি করেও তিনি কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।







