জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সিলেটের বিয়ানীবাজারের টুক ভরাউট গ্রামে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।
ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে নাজিমের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। গ্রামের জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
নাজিমুদ্দিন সামাদ সর্বশেষ মঙ্গলবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন: সরকার, এবার একটু নড়েচড়ে বসো বাবা। দেশের যা অবস্থা, আইন-শৃঙ্খলার যা অবনতি তাতে গদিতে বেশিদিন থাকা সম্ভব হবে না। জনরোষ বলে একটা কথা আছে। এটার চূড়ান্ত পরিণতি দেখতে না চাইলে এক্ষুনি কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। নতুবা দিন ফুরিয়ে আসবে দ্রুত।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এমন পোস্টের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেই নিহত হন নাজিমুদ্দিন সামাদ।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। কাল শনিবারের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে রোববার ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তাঁরা।
২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ছয়জন অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, ব্লগার, লেখক ও প্রকাশককে হত্যা করা হলো।







