দারুণ শুরুর পর বুধবার মেক্সিকোর বিপক্ষে চারদিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচেও ২-০ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম গোল পেয়েছেন মাউরো ইকার্দি। গোলের খাতা খুলেছেন পাওলো দিবালাও।
বিশ্বকাপ বিপর্যয়ের মেঘ কেটে আলো দেখা যাচ্ছে আর্জেন্টাইন ফুটবলে। রাশিয়া বিশ্বকাপে তারা শুধুই কসাইখানার একটা দোকান ছিল। যেখানে প্রতি মিনিটেই সমর্থকদের রক্তাক্ত করেছে। সেই বিপর্যয়ের পর অনভিজ্ঞ অন্তর্বর্তীকালীন কোচ লিওনেল স্কোলানি অধীনে দল এতটাই ভালো করেছে, যেমনটা কেউই প্রত্যাশাই করেনি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ছিল বেশ কয়েক বছর ধরে খেলা পুরনো দল। কিন্তু বর্তমান দলে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন স্কোলানি। তার অধীনের হওয়া ৬ ম্যাচে ১৬ জনের অভিষেক হয়েছে। যেখানে রীতিমতো একটা জেনারেশন পরিবর্তন হচ্ছে। লিওনেল মেসি আউট অব অ্যাকশন। যদিও তার এই অনুপস্থিতি সাময়িক নাকি স্থায়ী সেটা জানা যাচ্ছে না। যদি মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়, তাহলে এটা পরিষ্কার যে, তার অনেক সাবেক সতীর্থও দলে ফেরার পথে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়বেন।

পুরনোরা সরছে এবং খেলোয়াড়দের নতুন একটি গ্রুপ সামনে আসছে। সমস্ত পরিবর্তন এবং পরীক্ষার পর অল্পকিছু ঘাটতি থাকলেও একটি পরিষ্কার ধারণা সামনে এসেছে। সেটা হল- একক নির্ভর নয়, স্কোলানির দল বল দখলে রেখে ভালো ফুটবল খেলতে চায়। স্কোলানি চাইছেন, জোড়া উইংয়ের সঙ্গে একজন সেন্ট্রাল স্ট্রাইকার রেখে দ্রুত আক্রমণ করতে।
কিন্তু এই স্কোলানি আর্জেন্টিনার সঙ্গে কতদিন থাকবেন? এখন বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল, কোচ হিসেবে বড় কোনো নাম খোঁজার ফাঁকে টুকটাক করে চালিয়ে যাবেন স্কোলানি। কিন্তু তাদের সেই সুরে এরইমধ্যে বদল এসেছে। স্কোলোনির থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা দিন দিন বড় হচ্ছে।

বর্তমান দলের অনেক খেলোয়াড়ই স্কোলানিকে সমর্থন করতে পারেন। দিবালাসহ বেশ কয়েকজন এরইমধ্যে তার পক্ষে কথা বলেছেন। এই সময়ের ফলাফলও স্কোলানির জন্য ইতিবাচক হবে। ছয় ম্যাচের চারটিতে জয়, একটি ড্র এবং একটিতে হার। তাও আবার ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মিনিটে। এই সময়ে আর্জেন্টাইনরা গোল করেছে ১১টি, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র একটি।








