চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ধূপের মতো বিলিয়ে দেওয়া জীবন

শফী আহমেদ শফী আহমেদ
১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ ০৮, আগস্ট ২০২০
মতামত
A A

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী ও প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার গর্ভধারিনী মা। আজ বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মদিন। বেগম মুজিবের শুভ জন্মদিনে তাঁকে আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

বায়ান্ন থেকে একাত্তর অবধি যে সংগ্রাম পরিচালিত হয়েছিল, সেই সংগ্রামে বেগম মুজিব, বঙ্গবন্ধু মুজিবের পিছনে ছায়ার মতো ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম মুজিবের অনানুষ্ঠানিকভাবে যখন বিয়ে হয় তখন তার বয়স ছিল ৩ বছর, আর বঙ্গবন্ধুর ১০ বছর। পৃথিবী তখনো বর্তমান সভ্যতার আলোকিত পর্বে উদ্ভাসিত হয়নি। তবুও শৈশব থেকে চির সংগ্রামী মুজিবকে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যিনি আগলে রেখেছিলেন অপার মমতা ও ভালবাসা দিয়ে, সংগ্রামের সাহস দিয়ে, তিনি হচ্ছেন বেগম মুজিব। যাঁর ছিল না কোন লোভ, মোহ, যিনি চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু মুজিব আপোষহীন দৃঢ়তায় এক মহান জাতীয়তাবাদী নেতার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের যে নবধারা সূচিত হয়, সেই থেকে শুরু করে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অবধি বেগম মুজিব এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। আমরা একে একে সেই ঘটনাবালির কিছু কিছু আলোকপাত করি। বাঙালি জাতির একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মূল বাহন ছিল বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াস ঘটিত হয়েছিল, এ নিউক্লিয়াসের যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারা বঙ্গবন্ধুর অনুমোদনক্রমে সংগঠন, আন্দোলন এবং সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে আপোষহীন ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ছাত্র তরুণ সমাজের প্রধান এবং সর্বাত্মক প্রেরণার উৎসস্থল ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে নেতৃত্বের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের মধ্যে যখন’ই কোনো সংকটের কাল ছায়া ঘনিভূত হয়েছে, বেগম মুজিব সেই কাল ছায়া দূর করার জন্য পর্দার অন্তরালে থেকে দৃঢ়, কৌশলী এবং বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন।

এ আমার কথা নয়, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তাদের সঙ্গে ঘরোয়া আলাপচারিতায় এ সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ কথাগুলো বারবার উঠে এসেছে। কিন্তু ইতিহাস তা লিপিবদ্ধ করেনি। উত্তরাধিকার সূত্রে বেগম মুজিব যতটুকু অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছিলেন, তার পুরোটাই তিনি ব্যয় করেছেন নিঃস্বার্থভাবে সংসার এবং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত রাজনীতির পেছনে। তিনি একদিকে কিছু কিছু টাকা জমিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য যে প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ দেওয়া হত সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে পরিবারের জন্য বঙ্গবন্ধুভবন খ্যাত ৩২ নম্বর বাড়িটির কাজ সুসম্পন্ন করেন।

পুত্রসম ভাগ্নে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি, নিজ পুত্র শহীদ শেখ কামাল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, শহীদ শেখ জামাল এবং কনিষ্টপুত্র শেখ রাসেলের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার সব দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করেছেন। আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের পেছনে যতটুকু আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল, তাও তিনি করেছেন তিনি। ছাত্র এবং তরুণদের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি নিয়ে কখনো কখনো বিভেদ মাথাচারা দিয়ে উঠেছিল। সেই বিভেদও তিনি একজন দক্ষ সংগঠক ও নেতা যেমনভাবে সমাধান করে ঠিক তেমনভাবে সমাধান করেছিলেন। এটিও ইতিহাসের এক অনুল্লিখিত অধ্যায়।

Reneta

১৯৬২ সালের সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে যখন অন্দোলন শুরু হয় তার কিছুদিন পরই বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। সেই সময়ে আন্দোলন পরিচালনা ও নির্দেশনা দিতেন বঙ্গবন্ধু প্রেরিত বার্তা মোতাবেক ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে বেগম মুজিব। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু যখন বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা ঘোষণা করেন, তখন সেই ৬ দফার আলোকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বাঙালি জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে যে ভূমিকা রাখে সেই নেতৃবৃন্দের পেছনেও বেগম মুজিব ছিলেন ছায়ার মত।

৬ দফা কেন্দ্রীক আন্দোলন প্রচার প্রপাগান্ডার মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জনগোষ্ঠীকে এক লৌহ কঠিন ঐক্যের কাতারে নিয়ে আসে। তৎকালীন, বর্তমান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছড়িয়ে পড়েন শ্রমিক ও শিল্পাঞ্চলে। সেখানেও শ্রমিক আন্দোলন দানা বাধতে শুরু করে। প্রচারধর্মী আন্দোলন এক পর্যায়ে রাজপথের আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। এর বিষ্ফোরণ ঘটে ৬ দফার আলোকে আহুত শ্রমিক ধর্মঘটে, যে আন্দোলনে শহীদ হন শ্রমিক নেতা মনু মিয়াসহ অনেক শ্রমিক। আন্দোলন ছড়িয়ে পরে সকল শিল্পঞ্চলে। কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না যে সেই অন্দোলনেও বেগম মুজিবের সূচিন্তিত ও দৃঢ় মনোভাব আন্দোলনকামীদের উৎসাহ যুগিয়েছিল। আন্দোলন দমন করতে না পেরে সামরিক শাসক আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব) দায়ের করে।

বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হয়ে আবারো কারাগারে নিক্ষিপ্ত হন। বাঙালির জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের এই কঠিন পর্যায়ে দলের মধ্যে সুবিধাবাদী ও আপোষহীন ধারার বিভাজন রেখা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। বেগম মুজিবের অনুপ্রেরণায় তৎকালীন, সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতারা এই আপোষকামী ধারাকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মোকাবেলা করে আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে যায়। ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ছাত্র জনতার পক্ষে ঐতিহাসিক ময়দানে ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ইতিহাসের বরমাল্য ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধীতে ভূষিত করেন। এই বরমাল্য বরণ করে বঙ্গবন্ধু এগিয়ে যান সত্তরের নির্বাচনের দিকে।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের প্রাক্কালে সামরিক জান্তা একের পর এক হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। জান্তার গুলিতে শহীদ হন আগরতলা মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হক। ছাত্র জনতা রাজপথে নেমে আসে, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সেই মিছিলে স্লোগান উঠে ‘জহুর জহুর জ্বাল আগুন যায় না যে সহা’। শহীদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক শামসুজ্জোহা। আসাদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয় কবি লেখেন ‘আসাদের রক্তমাখা শার্ট আমার পতাকা’। শহীদ হন নব কুমার ইন্সটিটিউটের দশম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর। ছাত্র জনতা অগ্নিসংযোগ করে বিচারপতির বাসভবন এবং তৎকালীন দৈনিক পূর্ব পাকিস্তান পত্রিকা অফিসে, ভেসে যায় পাকিস্তানী জান্তার সর্বশেষ দোসরদের ঠিকানা।

ইতিহাসের এই পর্যায়ে বেগম মুজিব এক দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন, যা কি না ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখা উচিৎ ছিল। সামরিক জান্তা আইয়ুবের কাছ থেকে প্রস্তাব আসে বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে গোলটেবিল আলোচনায় বসার জন্য। সেই সময়কার বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন নেতৃত্ব ও ছাত্র তরুণদের দৃঢ়তা বেগম মুজিবের দৃঢ়তার সঙ্গে একিভূত হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের কতিপয় প্রভাবশালী নেতা বঙ্গবন্ধু ভবন ৩২ নম্বরে বেগম মুজিবের কাছে ছুটে আসেন। প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার জন্য। কিন্তু বেগম মুজিব এক অনমনীয় দৃঢ় মনোভাব প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে বেগম মুজিব কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করেন এবং প্যারোলে মুক্তি না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের মধ্যে অসম্ভব দৃঢ়তা প্রদর্শন করেন। বঙ্গবন্ধু নিজেও মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

সামরিক জান্তা রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছিল শেখ মুজিব পেরোলে মুক্তি পাচ্ছেন এবং আলোচনায় যোগ দিচ্ছেন। প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় পাকিস্তানী শাসকের সমস্ত পরিকল্পনা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, কিন্তু পাকিস্তানীরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে তালবাহানা শুরু করে। শুরু হয়ে যায় পূর্ববাংলায় মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব। ভেতরে ভেতরে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বাঙালি জাতির উপর ইতিহাসের এক ন্যাক্কারজনক নগ্ন হামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ২৫ মার্চের কাল রাতে সেই হামলার সূচনা হয়।

শুরু হয় চূড়ান্ত মুক্তির সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে, বেগম মুজিব, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও শেখ রাসেলকেও। বঙ্গবন্ধু পুত্র শহীদ শেখ কামাল ও শহীদ শেখ জামাল পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। নয় মাস রত্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা লাভ করে। আমরা পাই আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। বেগম মুজিব পরিবারসহ মুক্ত হন মিত্র বাহিনীর সহায়তায়। স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞের মুহূর্তটি পর্যন্ত বেগম মুজিব তার নির্লোভ ভূমিকার স্বাক্ষর রেখে গেছেন।

১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের যে কাল রাতে স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে সে সময়েও অর্থাৎ জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বেগম মুজিব ছিলেন ইতিহাসের কালজয়ী এক মহানায়কের অনুপ্রেরণাদায়িনী হিসেবে। বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে ধাপে বেগম মুজিবের অবদান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রীর মাতা হিসেবে নয়; একজন নীরব দক্ষ সংগঠক যিনি ধূপের মতো নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয়সম আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। ইতিহাসে বেগম মুজিবের এই অবদান যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে লিপিবদ্ধ হওয়া উচিত। বেগম মুজিবের জন্মদিনে তার প্রতি রইল সশ্রদ্ধ সালাম।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

১৯০ যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, পাইলটসহ কয়েকজন হতাহত

পরবর্তী

একইরাতে বিদায় রিয়াল ও জুভেন্টাসের

পরবর্তী

একইরাতে বিদায় রিয়াল ও জুভেন্টাসের

বিশ্বকাপ বাছাই ক্যাম্প: বাংলাদেশের ১৮ ফুটবলারের করোনা

সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই ২০, ২০২৬

‘আই-স্ক্রিনে’ বিশ্বকাপ সমাপনী ও ‘হাফ টাইম শো’

জুলাই ২০, ২০২৬

চ্যানেল আইয়ে তারকাদের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ

জুলাই ২০, ২০২৬

বন্যার ক্ষতচিহ্ন ভরা বান্দরবানের ফসলের মাঠ

জুলাই ২০, ২০২৬

স্পেনের উদযাপনে দাঁড়িয়ে থাকলেন ট্রাম্প, টেনে সরাতে পারলেন না ইনফান্তিনো

জুলাই ২০, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT