আগের রাতে ভোট বাক্সে ব্যালট ভর্তি করার ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করে দ্বিতীয় দফা ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার আশা করছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচনী এলাকা গুলোতে নির্বাচনী সংঘাতের আশংঙ্কা ভোটারদের।
দ্বিতীয় দফার ৬৪৩টি ইউপি নির্বাচনে ৭৯টি ইউনিয়নে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। সুষ্ঠু ভোটের জন্য নির্বাচনী এলাকা পাহারা দিচ্ছে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দেড় লাখ সদস্য।
আজ দ্বিতীয় ধাপের ৬৪৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার মধ্যরাতে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনী এলাকা গুলোতে টহলে নেমেছে র্যাব বিজিবি সহ কোস্টগার্ড।
তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকলেও নির্বাচনী আতংঙ্ক কাটাতে ভোটারদের উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার মো: শাহনেওয়াজ বলেন, নির্বাচন কমিশনের কারণে অথবা নির্বাচনে যারা কর্মরত রয়েছে তাদের কারণে কোনো প্রাণহানি হয় না। আমি আগেও বলেছি পাড়ায় পাড়ায় যদি মারামারি করে তবে সেটা দেখা নির্বাচন কমিশনের দেখা অনেক কঠিন। সবাইকে আমরা অনুরোধ করব, নির্বাচনটা একটা উৎসব মুখর পরিবেশে হোক, ভোটাররা সুন্দর ভাবে ভোট দিক এবং কোন রকম মারামারি হানাহানি ছাড়াই যেন জয় পরাজয়টা গ্রহন করতে পারে।
২য় দফা নির্বাচনে ভোট হচ্ছে ৬৪৩ টি ইউপিতে, চেয়াম্যানসহ মোট প্রার্থী ৩৩ হাজার ২শ ৯০ জন এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ হাজার ১ শ১৪ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ১ হাজার ৫শ ৫৫ জনসংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী ৬ হাজার ৭শ ৯৯ জন।
সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৩ হাজার ৩শ ৭৭ জন। ৬৪৩ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬শ ৪২ টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ এবং ৫৬৪টি ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী থাকলেও ৭৯ টি ইউনিয়নে কোনো প্রার্থী দিতে পারেনি বিএনপি।
২য় দফা নির্বাচনে ৩১ টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। ২য় দফা নির্বাচনে এবার ৬ হাজার ২শ ৫ টি কেন্দ্রে ভোট দিবে ১ কোটি ১২ লাখ ১২ হাজার ৩শ ৩৪ জন ভোটার।
আইন শৃংঙ্খলার দায়িত্বে থাকছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সদস্য। দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত পর্যন্ত প্রাণহানী ঘটেছে ২৫ জনের।









