বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর। পানি সংরক্ষণ স্বাভাবিক রাখতে হাওরসহ সংযুক্ত নদীগুলো খনন করার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ করে তারা সংযুক্ত বৌলাই নদী খনন ও নদীর সঙ্গে হাওর সংযুক্ত ক্যানেল নির্মাণের কথা বলছেন।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলা মিলে প্রায় ৯ হাজার সাতশ’ হেক্টরের বিশাল জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর। বৌলাইসহ ছোট-বড় সংযুক্ত কয়েকটি নদী দিয়ে হাওরে পানি আসা যাওয়া করে। তবে, ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যায় এসব নদী। ধারণ করতে পারে না বেশি পানির চাপ।
পানিবহুল ২৮ কিলোমিটার মুল হাওরও শুকিয়ে যায় শুষ্ক মৌসুমে। জেগে ওঠে ভেতরের ২৪টি বিল। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ জলাধার রক্ষা করতে তাই টাঙ্গুয়ার হাওর ও সংযুক্ত নদীগুলো খননের কথা বলা হচ্ছে।
তবে, হাওরের পরিবেশ বদল না করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
হাওর পরিদর্শন করে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার জন্য মাস্টার প্ল্যান করার কথা বলছেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান।
ইউনেস্কো ঘোষিত দ্বিতীয় রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর যার প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।
আরও দেখুন জাহিদুজ্জামানের ভিডিও রিপোর্টে:








