কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়পত্র বাতিলের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ডাকা বুধবারের হরতাল প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় সমবেত হয়ে দলের নেতাকর্মীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে প্রায় ১৫ জন আহত হয়।
টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচনে ঋণ খেলাপের দায়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও স্ত্রী নাসরিন কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়পত্র বাতিলের প্রতিবাদে দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গাতে অবস্থান নেয় কৃষক শ্রমিক জনতালীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় তারা সড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
বন্ধ হয়ে যায় ঢাকার সাথে উত্তরাঞ্চলের সব রুটের সড়ক যোগাযোগ। সড়কের উভয় পাশে ২০ কিলোমিটার জুড়ে সৃষ্টি হয় যানজট। সেসময় নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে দলটির যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিবউন নবী সোহেল , সোহেল রানা, শরিফুল ইসলাম শরিফ, রোমান মিঞাসহ ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়।
এদিকে ঘটনার খবর শুনে দ্রুত কালিহাতীর এলেঙ্গাতে যান কাদের সিদ্দিকী। তিনি নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেন। পরে তিনি বলেন, “আমার কারণে সাধারন জনগনের কোন প্রকার ভোগান্তি হোক তা আমি চাইনা। দল হরতালের পক্ষে থাকলেও আমি দলের সভাপতি হিসেবে জনগনের কথা চিন্তা করে আগামীকালের হরতাল প্রত্যাহার করে নিলাম।”
মনোনয়নের বিষয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আমার মনোনয়ন বাতিল সম্পূর্ণ অবৈধ।” তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে আরো বলেন, “তারা যদি আমাকে বলতো তাহলে এমনিতেই আমি ছেড়ে দিতাম। ব্যাংক আমাকে চিঠি দিয়েছে কোন সমস্যা নেই। তারপরও তারা জালিয়াতি করে আমার মনোনয়ন বাতিল করেছে। তারপরেও এখনো আমাদের দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। আজ রাত ৯টায় এ নিয়ে দলীয় মিটিং হবে। ওই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হবে আমরা কি করবো ”







