সিলেট থেকে: রোববার টিকিট বিক্রির শুরুর দিনে দৃশ্য ছিল ভিন্ন। সোমবার ম্যাচের দিনের দুপুর গড়াতেই সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে ঘিরে সেই দৃশ্যপট পাল্টে গেছে, এখন সাজসাজ রব। উৎসুক দর্শকদের ভিড় বাড়ছে সময়ের সাথে। ফুটবলের প্রতি নিজেদের ভালোবাসা আরেকবার তুলে ধরতে আবারও স্টেডিয়ামমুখী সিলেটবাসী।
সোমবার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে বাংলাদেশ-লাওস ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপের পঞ্চম আসরের। উদ্বোধনী ম্যাচে দর্শকস্রোতের আশাই করছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যরা।
সোমবার সকালেও খুব একটা চাপ ছিল না টিকিট কাউন্টারগুলোতে। প্রচণ্ড রোদ আর কর্মমুখী ব্যস্ততা ছিল শহরের মানুষের পদচারণায়। রোদ একটু গড়াতেই টিকিট নিতে স্টেডিয়াম অঞ্চলে এসে পড়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। কমবয়সী শিক্ষার্থীদের ভিড়টাই চোখে পড়ছে বেশি। আছেন কর্পোরেট কর্তারাও।
নিটল-টাটার বিপণন কর্মকর্তা আবুল হাসনাত। সহকর্মীদের নিয়ে খেলা দেখবেন বলে একাই ১৬টি টিকিট কিনেছেন। বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জানানোর সকল বন্দোবস্ত করেই গ্যালারিতে ঠাই নেবেন বলে জানালেন।
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ২৫ হাজার। গোল্ড কাপের আসর ঘিরে ধুয়েমুছে ঝকঝকে তকতকে করা হয়েছে আসন। বসানো হয়েছে ডিজিটাল ব্যানার বোর্ড। ২০১৪ সালে এই স্টেডিয়ামেই বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েছিল ফুটবলপ্রেমি দর্শকরা।
সোমবার হয়ত এমনটা ঘটবে না, তবে দর্শক কোনো অংশে কমও হবে না বলে আশা আয়োজকদের। আশা কথা জানালেন শুভাশিস নামের টিকিট বিক্রির সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি। বিকেল হলেই সমর্থকদের চাপ সামলাতে বুথ ছেড়ে স্টেডিয়ামের গেটে গিয়ে টিকিট বিক্রি শুরু করতে হবে বলেও একগাল হাসিমাখা মুখে জানালেন তিনি!









