শুধু নাশকতা নয়, কারাগারে বসে জঙ্গিদের সংগঠিত করতে বাইরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ডিভাইস নিয়ে আদালতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলো কুখ্যাত জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের সেকেন্ড ইন কমান্ড হোসাইন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এমন সন্দেহ করে পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের সহায়তায় কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও জড়িত থাকতে পারেন।
লালবাগ অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সঞ্জীব কুমার রায় বলেন, “কেউ অবশ্যই যোগাযোগ করার জন্যই এসব নিচ্ছে। সেটা যার সাথেই হোক, দলের সদস্যও হতে পারে। সেটা সে আমাদের চ্যানেলের সাথে বা কারাগারের চ্যানেলের সাথে সংযুক্ত করে কথাবার্তা শুনতে পারতো।”
আগেও একইভাবে আদালত এলাকা ও কারাগারে এ ধরনের ডিভাইস বা বিস্ফোরক নেয়া হয়েছিলো কিনা, নিয়ে থাকলে কারা সহায়তা করেছিলো জানতে টিএফআই সেলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।
সঞ্জীব কুমার রায় আরো বলেন, মূল গেট থেকে যখন চেকিংয়ে গেছে তখন ধরা পড়া উচিত ছিলো। কিন্তু তখন ধরা না পড়ে আরো পরে গেটের ভিতরে এসে ধরা পড়েছে। সেখানে পুলিশের কোনো গাফেলতি আছে কিনা সেটা তদন্তে একটা বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
গত তিন মাসেও শেষ হয়নি জঙ্গিদের সহায়তাকারী পুলিশ সদস্যদের খুঁজে বের করার কাজ।
উল্লেখ্য, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ আদালতে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার চলার সময় পুলিশের সহায়তায় ফাইলের ভেতর লুকিয়ে ব্যাটারি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আদালতের ভেতর ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়েন মুফতি হান্নানের প্রধান সহযোগী মাওলানা হোসাইন আহমেদ। অন্তর্ঘাতমূলক কাজের মাধ্যমে আদালত ভবন ও কেন্দ্রীয় কারাগারের কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয় হোসাইন।







