একটি শব্দও উচ্চারণ না করে দর্শককে হাসানোর এবং কাঁদানোর ক্ষমতা ছিল চার্লি চ্যাপলিনের। যিনি একাধারে অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক, নির্মাতা ও প্রযোজক। সিনেমা শিল্পের প্রধান পুরুষ বলা হয় তাকে। কৌতুককে অস্ত্র করে তিনি স্পর্শ করে গেছেন মানুষের সবচেয়ে আলোকিত স্থান থেকে সবচেয়ে অন্ধকার স্থানে।
চার্লি চ্যাপলিনের প্রধান কাজের সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাপর। শিল্প ও শিল্পী কোন না কোনভাবে প্রতিনিধিত্ব করেন সময়কে। চার্লি ও তার চলচ্চিত্রও তার বিশেষ ব্যতিক্রম নয়। তিনিও তাঁর সময়ের হাসি কান্না, অবক্ষয় উন্নতি, প্রতিক্রিয়া প্রগতি, মহত্ত্ব নীচতা, অভাব প্রাচুর্য, প্ররোচনা, প্রতারণা, বিশ্বস্ততা, গতি আর স্থবিরতা, রাজনীতি আর প্রতিরাজনীতি সব কিছুই দেখিয়েছেন। আর আশ্রয় নিয়েছেন কৌতুকের।
কালজয়ী মহান এই শিল্পীর ৪৪ মৃত্যুদিন শনিবার (২৫ ডিসেম্বর)। বিশেষ এই দিনে দেখে নিতে পারেন চ্যাপলিন অভিনীত, পরিচালিত পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু চলচ্চিত্র:
দ্য গ্রেট ডিক্টেটর:
দ্য মডার্ন টাইমস:
সিটি লাইটস:
দ্য সার্কাস:
দ্য কিড:
দ্য গোল্ড রাশ:
লাইমলাইট:








