পৃথিবীটা এত সুন্দর শুধুমাত্র আমাদের চোখের দৃষ্টির কারণে। চোখের দৃষ্টি না থাকলে সুন্দর পৃথিবীটা শুধুই অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু তার পরেও চোখের সুস্থতার ব্যাপারে কতটুকু সচেতন আমরা?
অযত্নে কিংবা অসচেতনতায় চোখের ক্ষতি হতে পারে অথবা চিরতরে অন্ধত্বের অভিশাপও বয়ে বেড়াতে হতে পারে। তাই সুস্থ চোখ এবং নিখুঁত দৃষ্টিশক্তির জন্য অন্য সব অঙ্গের মতই চোখেরও কিছু যত্ন প্রয়োজন। জেনে নিন চোখের মারাত্মক ক্ষতির কিছু কারণ সম্পর্কে।
স্ক্রিন টাইম
ঘণ্টার পর ঘটা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকা এখন আমাদের চাকরির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর কাজ শেষে বাকি সময়টুকু কাটে মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কিংবা টিভি দেখে। কিন্তু কোনো বিরতি ছাড়াই দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চোখের জন্য খুবই ক্ষতিকর। স্বাভাবিক ভাবে মিনিটে যেখানে ২০-৩০ বার পলক ফেলা হয় সেখানে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা কমে দাঁড়ায় ৩/৪ বার মাত্র। ফলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
অপরিচ্ছন্নতা
বাইরে বের হওয়ার সময় চোখের মেকআপ করতে না ভুললেও ফিরে এসে কান্ত শরীরে মেকআপ ঠিক মতো তোলার কথা ভুলে যান অধিকাংশ মানুষ। ফলে অপরিচ্ছন্ন চোখের কারণে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সেই সাথে মেকআপের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানও চোখে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এছাড়াও নন ব্র্যান্ডের সস্তা কসমেটিকসও ঝুঁকি বাড়ায় চোখের। অনেকেই কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পারেন না। ফলে চোখে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ ইনফেকশন। এসব কারণে বহু মানুষ চিরতরে চোখের জ্যোতি হারিয়ে
সানগ্লাসে অনীহা
সানগ্লাস কি শুধুই স্টাইলের জন্য পরা হয়? নাহ, সানগ্লাস পরা হয় চোখকে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব এবং বাইরের ধুলাবালি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। তাই অনেকগুলো ফ্যাশনেবল সানগ্লাস কেনার চাইতে ভালো ব্র্যান্ডের মানসম্মত সানগ্লাস কেনা ভালো। বড়দের মতই ছোটদেরও মানসম্মত সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত।
পুষ্টির অভাব এবং বদভ্যাস
ধূমপান কিংবা মদ্যপানের অভ্যাস হার্ট, লিভার, কিডনির ক্ষতির পাশাপাশি চোখেরও মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়াও অযথাই চোখে হাত দেয়া কিংবা চোখ রগড়ানোর বদভ্যাস চোখের ইনফেকশন কিংবা অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। সেই সঙ্গে শাক-সবজি, ছোট মাছ, ফলমূলে অনীহা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এক্সপ্রেস ইউকে।










