বিনোদন

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন

বিভিন্ন ধর্মের মানুষরা একত্রে প্রার্থনা করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বিভিন্ন ধর্মের মানুষরা একত্রে প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, চ্যানেল আই অনলাইন সংবাদ সংক্রান্ত ছবি।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন। সোমবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এরআগে দুপুর ১২টার দিকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাবেয়া খাতুনের মরদেহ রাখা হয় বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চের বেদিতে। সেখানে প্রায় ঘন্টা খানেক রাখা হয়।

রাবেয়া খাতুনের জানাজা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষের পাশাপাশি এসময় রাবেয়া খাতুনের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সাধারণ পাঠকও। এসময় বাংলা সাহিত্যের গুণী এই লেখিকাকে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে আসেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানেই এদিন দুপুর তিনটায় জানাজা সম্পন্ন হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় বনানী কবরস্থানে।

স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন। রবিবার বিকেলে বাধ্যর্কজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

জনতা রাবেয়া খাতুনের জানাজায় অংশ নিচ্ছে, শোকের পরিবেশ. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনী, কিশোর উপন্যাস, স্মৃতিকথাসহ চলচ্চিত্র ও নাট্য জগতেও বিচরণ রাবেয়া খাতুনের। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘মেঘের পরে মেঘ’ জনপ্রিয় একটি চলচ্চিত্র। ‘মধুমতি’ এবং ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ও প্রশংসিত হয়েছে সব মহলে।

তার স্বামী প্রয়াত এটিএম ফজলুল হক ছিলেন দেশের চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রথম পত্রিকা সিনেমার সম্পাদক ও চিত্রপরিচালক। বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’ এর পরিচালকও তিনি।

১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই এটিএম ফজলুল হক ও রাবেয়া খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তানের মধ্যে রয়েছে ফরিদুর রেজা সাগর, কেকা ফেরদৌসী, ফরহাদুর রেজা প্রবাল ও ফারহানা কাকলী।

বিষয়:উপন্যাস কথাসাহিত্যিক কিশোর উপন্যাস চিরনিদ্রা ছোটগল্প বনানী

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…