গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় একাধিক মানবপাচারকারী দল। মালয়েশিয়াসহ
বিভিন্ন দেশে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
পাচার হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে কোনরকমে দেশে ফিরে
এসেছেন।
মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের জঙ্গলে মানব পাচারকারীদের এমন ভয়াবহতা আর নিষ্ঠুরতা বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছিলো। গণমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় মানব পাচার। এর কয়েকমাস পর মানব পাচারকারীরা আবারোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে খোদ রাজধানীর পাশে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায়।
এমনই একজন মানবপাচারকারী গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আল আমীন। মানবপাচারের নামে বছরের পর বছর এই এলাকার মানুষের কাছ থেকে তিনি হাতিয়ে নিচ্ছেন নগদ টাকা। বিদেশী চাকুরির আশায় অনেকেই চড়া সুদে টাকা ধার করে আল অামীনকে দিয়েছেন আবার কেউ দিয়েছেন শেষ সম্বল বিক্রি করে। ২ থেকে ৩ বছর পার হলেও মেলেনি চাকুরি।
ভুক্তভোগীরা বলছেন কখনো আল আমীন টাকা পয়সা নিয়ে ভুয়া ভিসার ফটোকপি হাতে ধরিয়ে দেয়, কখনো বা স্টুডেন্ট ভিসার নামে ব্যবসার ভুয়া ভিসা কার্ড দেখায়। বেশকিছু ভুক্তভোগী এয়ারপোর্টের টিকিট কাউন্টারেও গিয়ে ফিরে এসেছেন।
নারী পাচারে জুরি নেই আল আমীনের। সব যুবকদের বিদেশে পাঠাতে না পারলেও সহজেই চাকুরীর নামে নারীদের বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে।
এক নারী ভুক্তভোগী বলেন, তাকে দুই বছরের জন্য বিদেশ পাঠানো হয়েছিল, দালাল আল আমীন বাইরের পাচারকারীদের বলে দেয় আমি যেন কখনো দেশে ফিরতে না পারি, প্রয়োজনে যেন আমায় মেরে ফেলা হয়।
আল আমীনের নতুন তৈরী বাড়িটি সুলতানপুর গ্রামবাসীর কাছে অতি পরিচিত। কিন্তু বাড়ীতে গিয়ে দেখা মিললো না তার। আল আমীনের মতোই একাধিক মানব পাচারকারী সক্রিয় গাজীপুরের কাপাসিয়ায়।







