গোটা ম্যাচে ছুটেছেন ৮.২ কিলোমিটার। বল ধরেছেন ৯৬ বার। টটেনহ্যামের বিপক্ষে গত সপ্তাহে ফিটনেসের এমন ঝলক দেখান ৩১ বছর বয়সী মেসি। কঠোর ডায়েট অনুসরণ করে দিনের পর দিন এভাবে তিনি নিজেকে ফিট রাখছেন।
ছেলেবেলায় অন্য সবার মতো মেসিরও কোমল পানীয়র প্রতি টান ছিল। পছন্দ ছিল ফাস্ট-ফুড। পেপ গার্দিওলা বার্সায় আসার পর মেসির এই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনেন। মেসি সেটা এই বয়সেও ধরে রেখে যেকোনো সময়ের চেয়ে নিজেকে বেশি ফিট রেখেছেন।
টানা দশ মৌসুম ধরে গড়ে ৪০টি করে গোল করেছেন। বার্সার হয়ে জিতেছেন সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা। শুধু জাতীয় দলের প্রাপ্তির খাতাটা খালি পড়ে আছে।
রাশিয়া বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলকে সাময়িকভাবে বিদায় বলেছেন। কবে ফিরবেন, সেটা কেউ জানে না। ডেইলি মেইল বলছে, মেসি নিজেকে আরও তরতাজা রাখতেই আপাতত জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন না। স্পেন থেকে অন্য কোনো দেশে সহজে ঘুরতেও যান না। উদ্দেশ্য একটাই, আরও কিছুদিন দেশ এবং ক্লাবকে সার্ভিস দেয়া।
যা থাকে মেসির খাদ্য তালিকায়
ডেইলি মেইল লিখেছে টাটকা ফল, শুকনো ফল, বাদাম, বিভিন্ন ফলের বিচি এবং সালাদে ভরপুর থাকে মেসির খাবার টেবিল। এর সঙ্গে অলিভ অয়েলের কয়েক পদের খাবার। মাংস খুব একটা খান না। কোমল পানীয়র পরিবর্তে সাউথ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী এক প্রকার চা পান করেন।










