একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি করে রায়কে বিএনপি প্রত্যাখ্যান করছে বলে জানান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷
তিনি বলেন, সরকার আদালতকে ব্যবহার করে এমন একটি রায় দিয়েছে, যেভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিলো।
ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার এই হামলার নিয়ে শুরুতেই পদক্ষেপ নিয়েছিলো। তদন্ত শুরু করেছিলো। সেসময় সাক্ষীরা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তারেক রহমানসহ বিএনপির কারো নাম বলেননি।
কিন্তু ২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে বিতর্কিত করার জন্য দলীয় লোক আব্দুল কাহার আকন্দকে তদন্ত কর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয় এবং এই মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন শুরু করে। এই কর্মকর্তা একজন আওয়ামী লীগ নেতা। মুফতি হান্নানকে নির্যাতন করে তারেক রহমানের নাম বলতে বাধ্য করে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই মামলায় অন্য কোনো সাক্ষীর কথা বলা নেই। কেউ তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তাকে জড়ানো হয় এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ থেকে পুনরায় প্রমাণিত হলো, এই দেশে নাগরিকদের সুবিচার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সাবেক বিচারপতি এসকে সিনহার কথাই প্রমাণ হলো, যে দেশে প্রধান বিচারপতি সুবিচার পায় না, সে দেশে সাধারণ নাগরিক কি করে সুবিচার পাবে?
ফখরুল বলেন, আমরা দেশবাসীকে সরকারের এহেন প্রতিহিংসামূলক আচরণ ও আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করার অপকৌশল সম্পর্কে জনগণকে সজাগ হয়ে অনির্বাচিত এই সরকারকে হটিয়ে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আহ্বান জানাচ্ছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।








