মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপ্রধান হতে এখন বাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতা।
সাড়ে তিন দশক পর আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটি দেখতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যার ফল এক সপ্তাহ আগেই সবার জানা।
গত সাতটি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার প্রতিদ্বন্দ্বী দুজন হওয়ায় নিয়ম রক্ষার ভোটের আয়োজন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার।
তবে এক-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম যে তেইশতম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন তা একেবারেই নিশ্চিত, কারণ সংসদ সদস্যদের দলের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপ্রধান হতে এখন বাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতা। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ।
সংসদ কক্ষে এ নির্বাচন পরিচালনা করবেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা, সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট চলবে। ভোট দেবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতাসহ সংসদের সদস্যরা।
সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে একটি আসনে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। আর সংরক্ষিত আসনে এমপি আছেন ৫০ জন। সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ সংসদে ৩৪৯ জন এমপি রয়েছেন, যারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন মিলিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য ২৪৭ জন, আর জামায়াতের ৭৭ জন।
এছাড়া স্বতন্ত্র ৮ জন, এনসিপির ৮ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১ জন, বিজেপির ১ জন, গণসংহতি আন্দোলনের ১ জন, গণপরিষদের ১ জন, খেলাফত মজলিসের ১ জন এবং জাগপার ১ জন সদস্য রয়েছেন সংসদে।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সংসদ কক্ষে তিনটি ভোট কাউন্টারে তিনটি ব্যালট বাক্স থাকবে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে থাকবেন। ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হবে। সংসদ সদস্য বা ভোটাররা ব্যালটে ভোট দিয়ে তা ফেলবেন কাছের ব্যালট বাক্সে।
ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে। চেকমুড়িতে ক্রমিক সংখ্যা থাকবে; এ অংশে ভোটারের বিভক্তি সংখ্যা (আসন নম্বর), নাম ও পূর্ণাঙ্গ সই দিতে হবে।
আর ব্যালট পেপার অংশে ভোটারের বিভক্তি সংখ্যা লিখে ‘পছন্দের’ প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণাঙ্গ সই দিতে হবে ভোটারকে। তার মানে কোনো স্বতন্ত্র ভোটার বা দলীয় ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা প্রকাশ্যই থাকছে।
নির্বাচনি কর্তাকে সহায়তার জন্য ইসি সচিবালয় ও সংসদ সচিবালয়ের একদল সহায়ক কর্মকর্তা থাকবেন।
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় কেবল সেবারই ভোটাভুটি হয়। এরপর সাতবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
এ সময় রাষ্ট্রপ্রধান হন আব্দুর রহমান বিশ্বাস, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, জিল্লুর রহমান, আবদুল হামিদ (দুই মেয়াদ) ও মো. সাহাবুদ্দিন।
সাড়ে তিন দশক আগের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী দলীয় ১৭০ জন ও স্বতন্ত্র দুজন মিলে মোট ভোট পেয়েছিলেন ১৭২টি। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। জামায়াত, সিপিবি ভোটে বিরত থাকে, আর জাপা সেই নির্বাচন বর্জন করে।
একানব্বইয়ের এ ভোটের পর কেবল এবারই একাধিক প্রার্থীর দেখা মিলেছে। ফলে ভোট আয়োজন করতে হয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের বাধ্যবাধকতা মেনে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর ১৩ অগাস্ট নির্বাচনি কর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়পত্রের প্রস্তাবক ও সমর্থক হলেন যথাক্রমে আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মির্জা ফখরুলের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি, বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকায়। বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী; তিনি দুইবার করে পাকিস্তান প্রাদেশিক আইনসভা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। ছিলেন এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য। বিএনপি মহাসচিবের মায়ের নাম মির্জা ফাতেমা আমিন।
ছাত্রজীবনে বামপন্থায় আস্থা রাখা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টানা দেড় দশক বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে নামেন চার দশক আগে।
মির্জা ফখরুল তার জন্মভিটা ঠাকুরগাঁওয়ে মাধ্যমিকের পাঠ চুকিয়ে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। আর তখনই বাম ধারার রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি; ষাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন।
মির্জা ফখরুল সংগঠনের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হন। সেই সময় রাজনৈতিক কারণে তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছিল।
অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন ১৯৭২ সালে। এরপর বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করেন।
মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক পদে এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর পিএস পদে যোগ দেন।
এরপর ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি রাজনীতিতে নেমে পড়েন। ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯০ সালে তিনি যোগ দেন বিএনপিতে। দুই বছরের মাথায় হন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি; পরে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হন। তারপর ধাপে ধাপে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে উঠে আসেন তিনি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ‘সরকার পতনের’ এক দফা দাবিতে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর সমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি। সেদিন পুলিশের হামলা ও সংঘর্ষের জেরে পণ্ড হওয়া সমাবেশ থেকেই পরদিন সারাদেশে হরতালের ডাক দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২৯ অক্টোবর সেই হরতালের সকালে গুলশানের বাসা থেকে ফখরুলকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
২০১১ সাল থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে তিনি মহাসচিব নির্বাচিত হন। সেই থেকে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
বিএনপিতে যোগ দেওয়ার এক দশক বাদে ২০০১ সালে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই সময় খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন সরকারে কৃষি এবং বিমান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ এবং বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী হন। বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও সারাদেশে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে সংসদে যাননি তিনি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও থেকে নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সরকারের স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন মির্জা ফখরুল।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে থাকা এ প্রবীণ রাজনীতিক ইতোমধ্যে দল ও সরকারের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অলি আহমদ
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে লড়ছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বা এলডিপি প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীরবিক্রম’ খেতাব পাওয়া সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। দুই দফায় খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ২০০৬ সালে বিএনপি ছাড়েন অলি আহমদ। ওই বছর ২৬ অক্টোবর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারার সঙ্গে মিলে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এলডিপি। তবে মতাদর্শিক পার্থক্যে ২০০৭ সালে বিকল্পধারা ও এলডিপি আলাদা হয়ে যায়।
শুরুর দিকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে থাকলেও পরে বিএনপির জোটভুক্ত হয় এলডিপি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন অলি।
তবে চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর রাজনীতির নতুন মেরুকরণে বিএনপির সঙ্গে অলির বনিবনা হচ্ছিল না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে তার এলডিপি যখন জামায়াত জোটে যোগ দেয়, অনেকেই তখন বিস্মিত হয়েছিলেন।
প্রথমে বিএনপি এবং পরে এলডিপি থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনটি অলি আহমদের নিজস্ব আসন হিসেবে পরিচিত ছিল। এলডিপি ১১ দলীয় ঐক্যে যোগ দেওয়ার পর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে প্রার্থী করা হয় অলির ছেলে ওমর ফারুককে। তবে ভোটের লড়াইয়ে তিনি বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদের কাছে হেরে যান।
রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক বিরোধী দলীয় নেতা, ঢাকা ১৫ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান এবং সমর্থক এনসিপির সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আব্দুল্লাহ আল আমিন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল
বাংলাদেশের বাইশতম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গেল ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন।
সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই অনুযায়ী স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ৬ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
১৩ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা (নির্বাচনি কর্তার অফিস কক্ষ)। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
১৬ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে বাছাই পর্যন্ত (নির্বাচনি কর্তার অফিস কক্ষ)। দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তা।
১৮ অগাস্ট বিকাল ৪টা পর্যন্ত (নির্বাচনি কর্তার অফিস কক্ষ)। কেউ প্রত্যাহার না করায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
২০ অগাস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ভোট শেষে সংসদ কক্ষে ভোট গণনা শেষে দ্রুত ফল ঘোষণা করবেন নির্বাচনি কর্তা। এরপরই ফলের গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
গেজেট প্রকাশের পরই নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ আয়োজন করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হবে।










