দেশি-বিদেশি পর্যটকদের বিনোদনের জন্য কক্সবাজারে এই প্রথম শুরু হয়েছে চীনের বিখ্যাত অ্যাক্রোবেট শো। ব্যতিক্রমধর্মী এই শো দেখে মুগ্ধ পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
পর্যটকদের জন্য রাতের বিনোদন ও পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতেই এই আয়োজন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এর মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে নতুন একটি বিষয় যোগ হলো।
অ্যাক্রোবেট শো একটি পুরনো সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য। প্রায় চার হাজার বছর আগে প্রাচীন গ্রীক, রোমান ও চীনে প্রথম এর প্রচলন শুরু হয়। পরে আধুনিক চীনা শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
চীনা অ্যাক্রোবেট প্রদর্শনীর মনোমুগ্ধকর আয়োজন ও শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতি বিশ্বব্যাপী দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে।
এবারই প্রথম পর্যটন নগরী কক্সবাজারে চালু করা হয়েছে চীনের বিখ্যাত এই অ্যাক্রোবেট শো। উদ্বোধনী শো দেখতে আসা ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশনের সভাপতি ব্ল্যাক কিবরিয়া বলেন, এটি পর্যটকদের জন্য বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা।
সিল্ক হ্যাংগিং, হুলা হুপ, ফানি ক্লাউনস, কিকস্ দ্যা বোল, জুডো রোল ল্যাম্প, ড্রাগন ড্যান্সসহ আরো অনেক মনমুগ্ধকর প্রদর্শনী এ শো’তে থাকছে বলে জানালেন কক্স-কার্নিভ্যাল এর জিএম খাজা রেজওয়ান আহমেদ কচি।
তিনি বলেন, এখান থেকে পর্যটকরা ভালো বিনোদন পাবেন।
অ্যাক্রোবেট শো’র উদ্যোক্তা কক্স-কার্নিভ্যাল এর পরিচালক বিপনন মহিউদ্দিন খান খোকন জানালেন, পর্যটকদের জন্য রাতের বিনোদন ও পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেওয়া জন্য কক্সবাজারে এ ধরণের আয়োজন।
এই অ্যাক্রোবেট শো সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দুটি শো; আর শুক্রবার ও শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত তিনটি শো প্রদর্শিত হবে বলে জানান আয়োজকরা। 









