একুশে বইমেলায় প্রকাশিত বইয়ের ওপর এই পুরস্কার প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সেলিনা হোসেনের হাতে পৌঁছে নিজের মর্যাদাকে সমৃদ্ধ করেছে। তেমনি নবীন লেখক ইজাজ আহমেদ মিলন বা শানরৈ দেবী শানুর হাতে গিয়ে নিজেকে প্রেরণাদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গুণীজনকে ধারাবাহিকভাবে মর্যাদা বা নবীনকে সামান্য উৎসাহ একটা জাতির সাহিত্যের পথ চলাকে সাবলীল করে দিতে পারে তার বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি সাহিত্য পুরস্কার। যার আয়োজক পাক্ষিক আনন্দ আলো।
এ পর্যন্ত যারা সিটি এনএ আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার যারা পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন কাইয়ুম চৌধুরী, হুমায়ূন আহমেদ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুণ, রাবেয়া খাতুন, সিরাজুল ইসলাম খান, ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, ইমদাদুল হক মিলন, লুৎফর রহমান রিটন, মইনুল আহসান সাবের প্রমুখ।
১০ম বছরে পড়েছে এই পুরস্কার আয়োজন। একুশে বইমেলায় ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত বই থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বইগুলো আনন্দ আলোতে জমা হওয়ার পর পুরস্কার প্রদান কমিটির বিচারে চারটি বিষয়ে পুরস্কার মনোনয়ন করা হয়। এই বিচার কমিটির প্রধান বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। তার নেতৃত্বে জুড়ি বোর্ডের মোট সদস্য ৫ জন। পুরস্কারের বিষয়গুলো হল উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ এবং শিশু সাহিত্য। যা সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে বইমেলায় প্রথম বই বের হওয়া লেখকদের জন্য পুরস্কার রয়েছে তিন বিষয়ে। উপন্যাস, কবিতা এবং শিশুসাহিত্যে।
মার্চে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিজয়ীদের হাতে। 
পুরস্কার প্রসঙ্গে সেলিনা হোসেন বলেন, ‘পুরস্কার অনুপ্রেরণা দেয়। আনন্দেরও। তবে পুরস্কারের মর্যাদারও একটি দিক রয়েছে। যে জায়গায় সাহিত্যের এই পুরস্কারটি প্রথম দিকেই রয়েছে। এর গুরুত্বপূর্ণ দিক নবীন লেখকদের অনুপ্রেরণা তৈরী।’
আনন্দ আলোর সম্পাদক রেজানুর রহমান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন এই সাহিত্য পুরস্কার ভাবনার প্রধান চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর। মূলত তার চিন্তা এবং অনুপ্রেরণাতেই এই সাহিত্য পুরস্কার আজ সাহিত্য ভুবনে মর্যাদার আসন গ্রহণ করে নিয়েছে।








