চোখের বালি, চিত্রাঙ্গদা, অন্দরমহল, অবহমান; নামগুলো শুনলে কারো বুঝতে বাকি থাকেনা এগুলো দিয়ে বোঝানো হচ্ছে কালজয়ী কিছু ভারতীয় বাংলা সিনেমাকে। জনপ্রিয় ও প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় আলোড়ন তৈরি করা এই সিনেমাগুলোর কারিগরকেও কেউ কখনো ভুলতে পারবে না।
গদবাঁধা মানসিকতা থেকে বের হয়ে দর্শকদের ভিন্ন ধারার চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন প্রতিভাবান পরিচালক, অভিনেতা, সুরকার ও বহু জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী ঋতুপর্ণ ঘোষ। সত্যজিৎ রায়ের অনুরাগী জাদুকরী ক্ষমতার এই পরিচালক নিজেও ছিলেন সমোজের আট দশটা মানুষ থেকে ভিন্ন ও প্রগতিশীল মানসিকতার অধিকারী। একটু কম সময় পৃথিবীতে থাকার পরে সবাই ছেড়ে চলে গেছেন তিনি।
তার জন্মদিনে দেশ-জাতি ভেদে সবাই তাকে স্মরণ করছে অনেক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সঙ্গে। ঋতুপর্ণ ঘোষের জন্মদিনে ফেসবুকে গভীর ভালোবাসা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ও চলচ্চিত্র বোদ্ধা ফাহমিদুল হক।
তিনি লিখেছেন-
নারী নয়, পুরুষ নয়, তিনি ধারণা দিয়েছিলেন ‘জেন্ডার ফ্লুইডিটি’-র। নিজের কাজ ও জীবনাচরণ দিয়ে তা প্রতিষ্ঠাও করে গেছেন। ব্যাপারটা বৈপ্লবিক এবং সে অর্থে তিনি বিপ্লবী। আজ তার জন্মদিন।







