বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল যেন অঘোষিত ‘অ্যাশেজ’। ক্রিকেটের অন্যতম উত্তেজক ম্যাচে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। ২৭ বছর পর প্রথমবার ঘরের মাটিতে বিশ্বক্রিকেটের মেগা ইভেন্টের শেষ চারে খেলতে নেমেছে ইংলিশরা। সেখানে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া নেমেছে টানা দ্বিতীয় ফাইনালের লক্ষ্যে। নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে অজিরা। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই হারিয়েছে তিন উইকেট, স্কোর বোর্ডে রান ২৭!
অস্ট্রেলিয়া-৮০/৩ (২১)
ভারত-নিউজিল্যান্ডের প্রথম সেমির মতো এদিন শুরুর দশ ওভারে ধুঁকতে হল অস্ট্রেলিয়াকেও। নিউজিল্যান্ড উইকেট কম হারালেও রানের চাকা ছিল একেবারেই থেমে। আর ভারত তো পাঁচ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ২৪ রানে চার ব্যাটসম্যানকে হারায়। ইংলিশ পেসারদের আগুনের সামনে অস্ট্রেলিয়াও তেমনি। তারা ১৪ রানে হারায় তিন উইকেট।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে আঘাত হানেন জফরা আর্চার। এলবিডব্লিউ হন অ্যারন ফিঞ্চ। আর্চারের গোলার মতো বল তার ব্যাট ফাঁকি দিয়ে প্যাডে আঘাত হানে, সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি অজি অধিনায়কের।
ফিঞ্চের উইকেট হারানোর পর আর্চার-ওকসের পেস-বাউন্সের সামনে অসহায় দেখাচ্ছিল আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান স্কোরার ডেভিড ওয়ার্নারকে! ওকসের দ্রুতগতির আউটসুইং বুঝে ওঠার আগেই বল তার ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা জনি বেয়ারস্টোর হাতে। দুই অঙ্কে যেতে পারেননি ওয়ার্নার (৯)।
ওপেনিং জুটি হারানোর পর স্টিভেন স্মিথের সঙ্গী হন পিটার হ্যান্ডসকম্ব। উসমান খাজার পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়ে সেটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ওকসের ইনসুইং বল উইকেটে টেনে আউট হন (৪)।
ক্রিজে নেমেই ইংল্যান্ডকে সুযোগ দিয়েছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি। কিন্তু ওকসের বলে স্লিপে বল তালুবন্দি করতে পারেননি জো রুট। এরমধ্যে আবার আর্চার জোরাল বাউন্সে আহত হয়েছেন ক্যারি। পুরো মুখে ব্যান্ডেজ নিয়েই ব্যাট করে চলেছেন তিনি। আর ইংলিশদের ঝড় থামিয়ে ক্যারিকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করছেন স্মিথ।








