আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে ফেনীর আলোচিত সাবেক এমপি জয়নাল হাজারীকে চিঠি দিয়েছে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা।
সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে জয়নাল হাজারীর হাতে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মনোনয়নের চিঠি তুলে দেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
চিঠিতে বলা হয়, শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন কতৃক প্রাপ্ত ক্ষমতা বলে আপনাকে ( জয়নাল হাজারী) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।
তিনি বলেন: জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত করেছেন। এটা গতকাল রেডিও-টেলিভিশন সব জায়গায় আলোচনায় এসেছে। কিন্তু এটা নিয়ে আজ বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা হচ্ছে। যেদিন নেত্রী আমাকে চিকিৎসার জন্য ৪০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, সেদিনই আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম দল এবং আপনি কখনো আমাকে বহিষ্কার করেননি; তাহলে দলে আমার অবস্থান কোথায়? তখন জবাবে নেত্রী ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন: সব ঠিক হয়ে যাবে। তারপর তিনি আমার কথা রেখেছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করেছেন।

তিনি আরও বলেন: নেত্রী এটা নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করেননি। কারণ কাউকে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য করা একান্ত নেত্রীর এখতিয়ার। গতবার সম্মেলনে নেত্রীকে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা অনেকটা নিয়োগ, কোনো ভোটের মাধ্যমে বা কাউন্সিলের মাধ্যমে হওয়ার বিষয় নয়। এটা ওবায়দুল কাদের সাহেবের সঙ্গে আলাপ করে করার কোনো দরকার নাই। তার জানার কোনো দরকার নাই। আমাকে ৪০ লাখ টাকা নেত্রী দিয়েছেন, এটাও উনি জানতেন না। আমি ওনার বাসায় গিয়ে জানিয়ে এসেছি।
তিনি আরও বলেন: আমার বিষয়ে নেত্রীর সবসময় এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। যে চক্রটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বলেছে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, সেই পক্ষই আজ বলছে আমাকে উপদেষ্টা করা হয়নি। আমি ঘোষণা করছি আমাকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। যে ফোরামে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ রয়েছেন সেখানে আমাকে রেখে সম্মানিত করা হয়েছে। এটা ইতিহাসে নজিরবিহীন।









